Advertisement
E-Paper

রিকশায় বাতিল বাক্সে মিলল ওষুধ

মেডিক্যাল কলেজের ডিসপেনসারি থেকে ওষুধের বাতিল বাক্স বোঝাই করা হচ্ছিল রিকশায়। তা দেখে সন্দেহ হওয়ায় ওষুধ নিতে আসা রোগীরা রিকশায় তোলা বাক্স খুলতেই ভিতর থেকে বেরিয়ে এল বেশ কিছু ওষুধ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:৫০

মেডিক্যাল কলেজের ডিসপেনসারি থেকে ওষুধের বাতিল বাক্স বোঝাই করা হচ্ছিল রিকশায়। তা দেখে সন্দেহ হওয়ায় ওষুধ নিতে আসা রোগীরা রিকশায় তোলা বাক্স খুলতেই ভিতর থেকে বেরিয়ে এল বেশ কিছু ওষুধ। হইচই হতেই পুলিশ ওই বাক্স-সহ ওই সব ওষুধ আটক করে নিয়ে গেল। শুক্রবার দুপুরে বাঁকুড়া মেডিক্যালের আউটডোরের ঘটনা।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানতে পেরেছে, মেডিক্যালের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মী রিকশা ডেকে ওই বাক্সগুলি তুলছিলেন। রিকশা চালক জানিয়েছেন, চতুর্থশ্রেণির ওই কর্মী পাটপুরে তাঁর বাড়িতে বাক্সগুলি নিয়ে যাওয়ার জন্য রিকশা ডেকেছিলেন। তবে হইচই হওয়ার পরেই চতুর্থশ্রেণির ওই কর্মী গা ঢাকা দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মেডিক্যালের সুপার পঞ্চানন কুণ্ডু বলেন, “আবর্জনা হিসেবে ওষুধের খালি বাক্স অনেক সময়ই চতুর্থশ্রেণির কর্মীরা নিয়ে যান। তবে তার মধ্যে ওষুধ থাকার কথা নয়। কী ভাবে ওষুধগুলি বাইরে গেল, তা খতিয়ে দেখছি। ওই চতুর্থশ্রেণির কর্মীকে শো-কজ করেছি।” ঠিক একই পদ্ধতিতে আগেও হাসপাতাল থেকে ওষুধ বেরিয়ে গিয়েছে কি না তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। এর পিছনে ওষুধ-পাচার চক্রের হাত থাকতে পারে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিজেপির শালতোড়া ব্লক সাধারণ সম্পাদক আস্তিক চক্রবর্তী এ দিন নিজের শরীরিক পরীক্ষা করাতে বাঁকুড়া মেডিক্যালের আউটডোরে এসেছিলেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসা করানোর পরে আমি ওষুধ নিতে ডিসপেনসারিতে গিয়েছিলাম। দেখলাম সেখান থেকে কয়েকটি ওষুধের বাক্স বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” এই ঘটনা দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি আউটডোরের বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন, ওই বাক্সগুলি একটি রিকশায় তোলা হল। এরপরেই আস্তিকবাবু-সহ আরও কয়েক জন ওই রিকশা চালককে গিয়ে চেপে ধরেন। তাঁদের দাবি, বাক্স খুলে দেখা যায়, ওষুধের বেশ কয়েকটি স্ট্রিপ ভিতরে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা ঘটনাটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওষুধ ও ওষুধের বাক্সগুলি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রিকশা চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেই হাসপাতালের ওই চতুর্থশ্রেণির কর্মীর নাম উঠে এসেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠান্ডা লাগা ও জ্বরে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেটের স্ট্রিপ মিলেছে। মেডিক্যালের সুপার বলেন, “হাসপাতালের তরফে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। থানাতেও আমরা লিখিত ভাবে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করব।” তবে এ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Banned Medicines
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy