Advertisement
E-Paper

ভুয়ো ডাক্তার বাছতে ডেটা ব্যাঙ্ক জেলায়

বীরভূমের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ‘‘সরকারি এবং বেসরকারি ভাবে জেলায় কত চিকিৎসক রয়েছেন। কোথায়, কখন বসেন। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী। তা জেনে যত দ্রুত সম্ভব ডেটা-ব্যাঙ্ক তৈরি করা হবে।’’ সিএমওএইচ জানান, বীরভূম স্বাস্থ্য জেলার অন্তর্গত দুটি মহকুমার ১১টি ব্লকের প্রত্যেক বিএমওএইচকে তথ্য জোগাড় করতে লিখিত ভাবে বলা হয়েছে।

দয়াল সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০১৭ ১৩:০০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

কেউ ছিলেন ক্ষৌরকার। কারও মুদির দোকান। ঝাঁপ বন্ধ করে তাঁরাই হয়েছেন ‘ডাক্তার’। বিকম ডিগ্রি নিয়েই গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট, ইউনানির সার্টিফিটেক নিয়ে অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞ হওয়ার নজিরও সামনে এসেছে। গত পনেরো দিনে কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা প্রান্তে ‘ভুয়ো’ চিকিৎকদের ধরা পড়া থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, এই কারবার কতটা জাঁকিয়ে বসেছে। ঠিক এই সময়ে চিকিৎসকদের ‘ডেটা-ব্যাঙ্ক’ তৈরির সিদ্ধান্ত নিল জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

বীরভূমের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ‘‘সরকারি এবং বেসরকারি ভাবে জেলায় কত চিকিৎসক রয়েছেন। কোথায়, কখন বসেন। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী। তা জেনে যত দ্রুত সম্ভব ডেটা-ব্যাঙ্ক তৈরি করা হবে।’’ সিএমওএইচ জানান, বীরভূম স্বাস্থ্য জেলার অন্তর্গত দুটি মহকুমার ১১টি ব্লকের প্রত্যেক বিএমওএইচকে তথ্য জোগাড় করতে লিখিত ভাবে বলা হয়েছে। তবে শুধু স্বাস্থ্য দফতর নয়, এ কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও এবং পুরপ্রধানদের।

স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা মানছেন, ‘ভুয়ো’ চিকিৎসককে চিহ্নিত করতে ডেটা-ব্যাঙ্কের গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা সেখানেই এক জন চিকিৎসকের ঠিকুজি-কুষ্ঠি রাখা থাকবে। পাশাপাশি ছাঁকনিতে ধরা পড়ে যাবেন ভুয়ো চিকিৎসকেরাও। কী ভাবে করা হবে ডেটা ব্যাঙ্ক?

স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, জেলার কোথায়, কোন চিকিৎসক বসেন। সেটা ওষুধের দোকান, পলিক্লিনিক না ব্যক্তিগত চেম্বার— ঘুরে ঘুরে প্রাথমিক ভাবে সে সব তথ্য জোগাড় করবেন আশাকর্মীরা। তারপর চিকিৎসক ধরে ধরে রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংগ্রহ করা হবে। সিএমওএইচ জানাচ্ছেন, শুধু বেসরকারি ক্ষেত্র নয়। সরকারি পরিকাঠামোয় থাকা চিকিৎসকেরাও নজরদারির মধ্যে থাকবেন। এ ছাড়া জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, স্কুলের সঙ্গে যে সব চিকিৎসক যুক্ত তাঁদেরও ডেটা-ব্যাঙ্কের আওতায় আনা হবে।

রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা অবশ্য এখনই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করছে না। রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ব্রজেশ্বর মজুমদার বলেন, ‘‘অভিযোগ পেলেই সেটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে অদূর ভবিষ্যতে আমাদেরও ডেটাব্যাঙ্ক তৈরির ভাবনা রয়েছে।’’ জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, একবার রেজিস্ট্রেশন নম্বর হাতে পেলে ‘মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া’র সাইটে গিয়ে তা অনলাইনে সহজেই যাচাই করা যাবে। অন্য রকম কিছু পেলে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও সুবিধে হবে। জেলার সমস্ত পলিক্লিনিকের মালিক, ওষুধের দোকানগুলিকেও এ ব্যাপারে
সতর্ক করা হবে বলে জানাচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

Fake Doctor Wst Bengal ডাক্তার
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy