অবৈধ বালি বিক্রি বন্ধ করতে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর মহম্মদবাজারের চরিচা পঞ্চায়েত এলাকার দু’টি বালির ঘাটে অভিযান চালালো জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন। বুধবার বিকেলে এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) শুভম আগরওয়াল, অ্যাডিশনাল এসপি গায়কোয়াড নীলেশ শ্রীকান্ত, ডিএসপি (ডিএন্ডটি) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য, ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক আনন্দ বিশ্বাস, আইসি (মহম্মদবাজার)
অয়ন চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা।
ময়ূরাক্ষী নদীর উপর চরিচা পঞ্চায়েতের গীরাজপুর গ্রাম সংলগ্ন দু’টি বালিরঘাট রয়েছে। যার মধ্যে একটি অভিষেক মণ্ডলের এবং একটি আসগর মোল্লার। দু’জনেরই নদীর বালিরঘাটের সরকারি অনুমতি রয়েছে। তবে বর্ষাকালে বালি মজুত রেখে বিক্রি করার জন্য শুধুমাত্র আসগর মোল্লার অনুমতি রয়েছে। অভিষেক মণ্ডলের বালি মজুত করার কোনও সরকারি অনুমতি নেই। তিনি বালি মজুত রাখার আবেদন জমা করলেও অনুমোদন মেলেনি। অথচ দু’টি ঘটেই বালি মজুত করা হয়েছে। সে কারণেই এদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি ছাড়া বালি মজুত করার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়।
এদিন সমস্ত মজুত বালির মাপ করা হয়। কোথায় কী অনুমতি রয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানাও করা হবে। এছাড়াও আপাতত সমস্ত মজুত বালি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
দুই ঘাট মালিক আসগার মোল্লা ও অভিষেক মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
শুভম আগরওয়াল বলেন, “সূত্র মারফত খবর পেয়ে দু’টি বালির ঘাটে অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে দু’টি ঘাটেই প্রচুর বালি মজুত রয়েছে এবং অবৈধ বালির হদিসও মিলেছে। বালির পরিমাণ-সহ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ঘাট মালিকদের নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)