E-Paper

বাধা সরিয়ে জলে জয়ের খোঁজ

বিশ্বভারতী ও দুই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ৪০ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম মহিলা সাঁতারু অংশ নেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৮:২৬
বিশেষ ভাবে সক্ষমদের সাঁতার প্রতিযোগিতা। বুধবার বিশ্বভারতীতে।

বিশেষ ভাবে সক্ষমদের সাঁতার প্রতিযোগিতা। বুধবার বিশ্বভারতীতে। নিজস্ব চিত্র ।

বিশ্বভারতীতে এই প্রথমবার অনুষ্ঠিত হল রাজ্য প্যারা-সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপ। বিশেষ ভাবে সক্ষম মহিলাদের নিয়ে বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রতিযোগিতা।

বিশ্বভারতী ও দুই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ৪০ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম মহিলা সাঁতারু অংশ নেন। উদ্দেশ্য ছিল, বিশেষ ভাবে সক্ষম মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিভা তুলে ধরা, প্যারা-সাঁতারের প্রসার ও বিশ্বভারতীতে সাঁতার প্রশিক্ষণের বিস্তার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, বিশ্বভারতীর পল্লিশিক্ষা ভবনের অধ্যক্ষ পরেশচন্দ্র কোলে, বিশ্বভারতী ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ, বিশ্বভারতীর গ্রন্থাগারিক নিমাই চাঁদ সাহা-সহ কর্মী, অধ্যাপকেরা।

বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পুরুলিয়া, কোচবিহার, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রতিযোগীরা অংশ নেন। দৃষ্টিহীন বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের সাঁতারের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস সকলকে মুগ্ধ করে। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের ৬টি গ্রুপ থেকে একজন করে প্রথম ও রানার্সের হাতে মেডেল, শংসাপত্র ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অংশগ্রহণকারী প্যারা-সাঁতারু দীপিকা দাসের কথায়, “প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয়ের চেয়েও বড় ছিল একে অন্যের সঙ্গে পরিচিত হয়ে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া।” আয়োজকদের তরফে রিম্পা রায় বলেন, “প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্রীড়া পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে প্রত্যেক মহিলা প্যারা-অ্যাথলিট সমান মর্যাদা, সম্মান এবং সুযোগ পাবেন। প্রতিবন্ধকতা কখনও প্রতিভার সীমা নির্ধারণ করতে পারে না। ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এটি মহিলা প্যারা-ক্রীড়ার বিকাশে ঘটাবে।”

বিশ্বভারতীর কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায় বলেন, “এই ধরনের সাঁতার প্রতিযোগিতা বিশ্বভারতীতে প্রথম। বিশ্বভারতীর ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি বাইরের মানুষও স্বল্প খরচে এখানকার সুইমিং পুলে সাঁতার শিখতে পারেন। এতদিন শীতকালে বন্ধ থাকলেও এবার থেকে সারা বছর পুল চালু রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।” বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “প্রথমবারেই ভাল সাড়া মিলেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে প্রতিযোগিতা হবে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Visva Bharati

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy