E-Paper

আজ প্রাথমিকের টেট, নির্বিঘ্নে কাজ সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি সারা প্রশাসনের

এ দিন দু’টি ভাগে ১৩০ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং ৫৯২ জন সহায়িকার শূন্যপদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে জেলার মোট ১৪টি ব্লকের ১৪৪টি কেন্দ্রে। পরীক্ষার্থী ছিলেন প্রায় ৩৬ হাজার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৬:৫৪
রামপুরহাট , সব্যসাচী ইসলাম। আইসিডিএস পরীক্ষার্থীদের ভীড় পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভিড়।

রামপুরহাট , সব্যসাচী ইসলাম। আইসিডিএস পরীক্ষার্থীদের ভীড় পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভিড়। —নিজস্ব চিত্র।

জেলায় শনিবার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকাদের শূন্যপদে নিয়োগের পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষা। আজ, রবিবার একই ভাবে সম্পন্ন হবে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের টেট বলেও আশাবাদী বীরভূম জেলা প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, এ দিন দু’টি ভাগে ১৩০ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং ৫৯২ জন সহায়িকার শূন্যপদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে জেলার মোট ১৪টি ব্লকের ১৪৪টি কেন্দ্রে। পরীক্ষার্থী ছিলেন প্রায় ৩৬ হাজার। কিন্তু, জেলার কোনও এলাকা থেকেই পরীক্ষা চলাকালীন কোনও সমস্যার কথা কানে আসেনি বলে দাবি প্রশাসনের। অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) বিশ্বজিৎ মোদক বলেন, ‘‘একটি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে যা যা আয়োজন ও শৃঙ্খলার প্রয়োজন। সেটা আমরা মেনেছি। শনিবার কোনও সমস্যা হয়নি। রবিবার প্রাথমিকের টেটও নির্বিঘ্নে হবে বলেই আমাদের আশা।’’

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে রবিবার টেট দেবেন ১৭ হাজার ৭০০ পরীক্ষার্থী। গতবারের তুলনায় এ বার পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কম। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দশ অনুযায়ী শুধু মাত্র ডিএলএড করেছেন যাঁরা, তাঁরাই পরীক্ষায় বসবেন। বিএড যাঁরা করেছেন, তাঁরা বসতে পারছেন না। জেলার মোট ৫২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। সেগুলির মধ্যে ৪০টি স্কুল এবং ১২টি কলেজ রয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে ব্লক অফিসের এক জন করে কেন্দ্র অধিকার্তা ও প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ থেকে পরীক্ষাকেন্দ্র পিছু এক জন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন।

১৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে বেলা ১২টা থেকে আড়াইটে পর্যন্ত । পরীক্ষায় যাতে কোনও অসৎ পথ অবলম্বন করতে না-পারেন পরীক্ষার্থীদের কেউ, তার জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তল্লাশি, বায়োমেট্রিক নেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকছে দু’টি করে নজর ক্যামেরা। তবে এ দিন সে কেন্দ্রগুলিতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে, তেমন বেশ কিছু পরীক্ষাকেন্দ্র টেচ-ও হবে। টেট পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর বেঞ্চে সাঁটার কাজটা সেই সব কেন্দ্রে বিকেল পাঁচটার পরে হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। এ দিন বিকেলে টেট নিয়ে বৈঠক করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন)। ছিলেন স্কুল পরিদর্শক (মাধ্যমিক ও প্রাথমিক) এবং জেলা শিক্ষা অফিসার। কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, ‘‘শনিবারের পরীক্ষা ঠিক মতো হচ্ছে কিনা, ঘণ্টা ঘণ্টায় রিপোর্ট নেওয়া হয়েছে। রবিবারও প্রশাসন সচেষ্ট থাকবে। প্রশাসন, পুলিশ, পরিবহণ, স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ দফতর— সকলের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছি। টেট পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারবেন।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

TET Primary Teacher Recruitment

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy