দলের অঞ্চল সভাপতি বদলায়নি। ক্ষোভে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার সিমলাপালে। যদিও যাঁরা ভাঙচুর চালিয়েছেন তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নন বলে দাবি দলের জেলা নেতৃত্বের। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
রবিবার তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা দফতরে অঞ্চল সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয়। জানানো হয়, ওই সাংগঠনিক জেলার বারো জন অঞ্চল সভাপতি বদল করা হয়েছে। তবে কয়েক জন অঞ্চল সভাপতিকে পুনর্বহাল করা হয়েছে। অঞ্চল সভাপতিদের এই তালিকা প্রকাশ পেতেই তা নিয়ে ক্ষোভ ছড়ায় তৃণমূল কর্মীদের একাংশের মধ্যে। সিমলাপাল ব্লকে ৭টি অঞ্চল রয়েছে। সেখানে কোনও অঞ্চল সভাপতিই বদল হয়নি। এর পর সোমবার দুপুরে ‘বিক্ষুব্ধ’ কর্মীরা সিমলাপালে দলীয় দফতরে জড়ো হয়ে দলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁরা ওই দফতরে ভাঙচুর চালান বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
-
নোটবন্দিকে ‘বেআইনি’ বললেন, বেসুরো নাগরত্নাই হতে পারেন দেশের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি
-
অনেক পোকা থেকে ধান বাঁচাতে একটি পোকার সমূলে বিনাশ চান মমতা, সেই ‘পোকা’ কি পার্থ?
-
বাড়ছে করোনা, চিনের হাসপাতালগুলিতে রোগীদের ভিড়, ছুটি না নিয়েই কাজ করছেন কর্মীরা
-
বিচ্ছেদ হয়নি তুনিশা-শীজ়ানের! হিজাব কি আদৌ পরত? বিস্ময়কর তথ্য শীজ়ানের দিদির
দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি নিখিল সিংহ মহাপাত্র বলেন, ‘‘তৃণমূলের কার্যালয়ে এসে ভাঙচুর চালানোর এই ঘটনাকে আমি ধিক্কার জানাচ্ছি। এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। যাঁরা এই কাজ করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে যাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে ব্যাপারে আমরা উচ্চ নেতৃত্বকে জানাচ্ছি। প্রকৃত তৃণমূল কর্মী হলে এ ভাবে দলের কার্যালয়ে ভাঙচুর করতেন না। যাঁরা এই কাজ করেছেন, তাঁরা দুষ্কৃতী এবং সমাজবিরোধী।’’
এ নিয়ে বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার কটাক্ষ, ‘‘এটাই তৃণমূলের ভবিতব্য। নিজেদের মধ্যে কাটমানির ভাগ-বাটোয়ারা সংক্রান্ত ঝগড়ার জেরেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।’’