দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়া, বছর সাতেকের একটি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী। ঘটনাস্থল বাঁকুড়ার জয়পুর থানা এলাকা।
পুলিশ সূত্রে খবর, আইসক্রিম খাওয়ানোর নাম করে মেয়েটিকে নিয়ে গ্রামের অদূরে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। সেখানে নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ। সোমবার ‘নির্যাতিতা’র পরিবারের তরফে অভিযোগ জমা পড়ে থানায়। তার পরেই গ্রেফতার হন অভিযুক্ত। মঙ্গলবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে হাজির করায় জয়পুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি আদালতে ‘নির্যাতিতা’র গোপন জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে খবর, ঘটনাটি রবিবারের। সে দিন দুপুরে গ্রামের আটচালায় কীর্তন শুনতে গিয়েছিল মেয়েটি। সেখানে মেয়েটির সঙ্গে দেখা হয় প্রতিবেশী এক যুবকের। আইসক্রিম কিনে দেবে বলে মেয়েটিকে তিনি নিজের বাইকে ওঠান। কিন্তু আইসক্রিম দোকানে না গিয়ে ওই যুবক নাবালিকাকে নিয়ে যায় গ্রামের অদূরে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। অভিযোগ, ধর্ষণের পর মেয়েটিকে তার বাড়ির সামনে ছেড়ে দিয়ে চলে যান যুবক। তার আগে মেয়েটিকে তিনি হুমকি দিয়ে যান, কাউকে এ নিয়ে কিছু বললে তার ক্ষতি হয়ে যাবে। মেয়েটিও বাড়িতে ফিরে কাউকে কিছু বলেনি। কিন্তু সোমবার অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়ে নাবালিকা। তখন সে বাবা-মাকে পুরো ঘটনার কথা জানায়। তার পর পরিবারের তরফে জয়পুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।
আরও পড়ুন:
এখন ওই নাবালিকা বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘কতটা পাশবিক হলে সাত বছরের মেয়ের সঙ্গে এমন ঘৃণ্য কাজ করা যায়! আমি দোষীর ফাঁসি চাই।’’