Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

চার বছর বয়স থেকে সংসার চালানোর হাল ধরতে হয়েছিল পরিচারিকার কাজ করে। তারই মধ্যে সময় বের করে পড়াশোনা করে আমোদপুর জয়দুর্গা গার্লস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিকে ৩৯৪ নম্বর পেয়েছে খাইরুন খাতুন। আমোদপুর সুকান্তপল্লির বাসিন্দা খাইরুন চার বছর বয়স থেকেই শিশু শ্রমিকের কাজ করত। বাবা চেন্নাই-এ রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০১৪ ০১:০৪

দারিদ্রকে হারিয়ে জয়ী খাইরুন খাতুন

অরুণ মুখোপাধ্যায় • সিউড়ি

চার বছর বয়স থেকে সংসার চালানোর হাল ধরতে হয়েছিল পরিচারিকার কাজ করে। তারই মধ্যে সময় বের করে পড়াশোনা করে আমোদপুর জয়দুর্গা গার্লস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিকে ৩৯৪ নম্বর পেয়েছে খাইরুন খাতুন। আমোদপুর সুকান্তপল্লির বাসিন্দা খাইরুন চার বছর বয়স থেকেই শিশু শ্রমিকের কাজ করত। বাবা চেন্নাই-এ রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সংসার চালানোর জন্য এখনও সে মায়ের সঙ্গে বিড়ি বাঁধে। বোলপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত শিশু শ্রমিক স্কুলে সে পড়াশোনা শুরু করে। শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখে খাইরুন। আমোদপুর সুকান্তপল্লির বাসিন্দা খাইরুন একটি মাটির কুঁডে ঘরে থাকে। মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার আগে পর্যন্ত বাড়িতে কোনও বিদ্যুতের আলো ছিল না। ওই পরীক্ষার পর লোকদ্বীপ প্রকল্পে তার বাড়িতে আলো আসে। স্থানীয় বাসিন্দা অশোক দে বলেন, “এলাকার কিছু মানুষ চাঁদা তুলে বইখাতা, পেন কিনে দেওয়া হয়েছে।” আমোদপুর জয়দুর্গা গার্লস হাইস্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অঞ্জু সাহা বলেন, “মেধাবী এই ছাত্রী বিভিন্ন জনের সাহায্যে এতটা নম্বর তুলেছে তার জন্য আমরা গর্বিত।” খাইরুনের কথায়, “গৃহশিক্ষক নিয়ে পড়া তো দূরে কথা বই-খাতা কেনার মতো ক্ষমতা নেই। তাই স্থানীয় মানুষজন, স্কুলের শিক্ষিকাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।”

উপাচার্যের পাশেই, বার্তা বিশ্বভারতীর

নিজস্ব সংবাদদাতা • শান্তিনিকেতন

কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভুল তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সমস্ত ভবনের অধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধান এবং বহু অধিকর্তা একযোগে সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি জানালেন। সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে বিশ্বভারতীর উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্তের সম্পর্কে ব্যক্তিগত কুৎসা করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের অভিযোগ। ক্ষুব্ধ বিশ্বভারতীর অধ্যাপক-শিক্ষক ও অধিকর্তাদের একটি বড় অংশ এ নিয়ে ‘প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া’র চেয়ারম্যান প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজুকে গত মঙ্গলবার চিঠিও দিয়েছে। তাতে এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করার দাবিও জানানো হয়েছে। এ দিন তাঁদেরই অনেকে সাংবাদিক বৈঠক করে ফের সুশান্তবাবুর পাশে দাঁড়ানোর বার্তাই দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। সুশান্তবাবু অবশ্য উপস্থিত ছিলেন না।এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁদের আবেদন, ঐতিহ্যবাহী এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে যেন সঠিক তথ্যই সংবাদমাধ্যম তুলে ধরে। পাশাপাশি বর্তমান উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্তের আমলে বিশ্বভারতীর উন্নয়নের নানা কর্মযজ্ঞের নমুনাও তাঁরা ওই সাংবাদিক বৈঠকে পেশ করেন। বিশ্বভারতীর মিডিয়া ইন্টারফেস কমিটির চেয়ারপার্সন অধ্যাপিকা সবুজকলি সেন বলেন, “সংবাদমাধ্যমের এমন কাণ্ডে আমরা ব্যথিত এবং দুঃখিত। তাঁদের কাছে সঠিক তথ্য পরিবেশন করার আবেদন করছি।” পরে তাঁর সংযোজন, “এই প্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠন, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং ছাত্রছাত্রীদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য সুচিন্তিত উদ্যোগ নিয়েছেন বর্তমান উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্ত। সুশান্তবাবুর প্রশাসনিক দক্ষতা এই প্রতিষ্ঠানের আদর্শ ও প্রতিষ্ঠাতার উদ্দেশ্যকে বাস্তব রূপ দিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”

মনোবল বাড়াতে সভা অধীরের

নিজস্ব সংবাদদাতা • সিউড়ি

নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ নয়। লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রসের ভরাডুবি হওয়ার পিছনে ত্রুটি কোথায় সেই ব্যাপারে খোলা মনে মতামত বিনিময় করতেই দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে শুক্রবার সিউড়িতে ডিআরডিসি হলে একটি সভা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক অসিত মাল, বীরভূম জেলা সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি-সহ আরও অনেকে। সাংবাদিকদের অধীরবাবু বলেন, “কংগ্রেস নির্বাচনে ভাল ফল করতে পারেনি। সে জন্য হতাশ কর্মীরা। আগামীদিনে দলকে শক্তিশালী করতে গেলে কর্মীরা ঠিক কী ভাবছেন সেটা জানা জরুরি। তাই কর্মীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতেই এখানে আসা। সংগঠন মজবুত করার কাজে এমন কর্মিসভা অন্য জেলায়ও হবে।”

অস্ত্র-সহ ধৃত পাঁচ

নিজস্ব সংবাদদাতা • নলহাটি

আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে নলহাটি শহর ঢোকার মুখে, ৬০ নম্বর রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম জাতীয় সড়কের ঘটনা। প্রথমে আটক করা হলেও বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের ১৪ দিন জেল হাজত হয়।

দুর্ঘটনায় মৃত্যু

ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক মোটরবাইক আরোহী যুবকের। গুরুতর জখম অবস্থায় মৃত যুবকের স্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ নাগাদ মোরগ্রাম-রানিগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে, মহম্মদবাজারের শেওড়াকুড়ি ও জয়পুরের মাঝে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, মৃত যুবকের নাম দেবব্রত মণ্ডল (২৬)। বাড়ি মহম্মদবাজার থানার দ্বিগলগ্রাম। তাঁর স্ত্রী কুমকুমদেবীকে সিউড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ডাম্পারটিকে আটক করলেও চালক পলাতক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এ দিন সকালে ঝাড়খণ্ডের গামড়ায় দিদির বাড়ি থেকে স্ত্রীকে মোটরবাইকে চাপিয়ে দেবব্রতবাবু নিজেদের গ্রামের বাড়ি দ্বিগলগ্রাম ফিরছিলেন। শেওড়াকুড়ি থেকে কিছুটা মহম্মদবাজারের দিকে যেতে না যেতেই জয়পুরের কাছে উল্টো দিক থেকে আসা একটি ডাম্পার তাঁদের সামনাসামনি ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দেবব্রতবাবুর।

বাড়িতে চুরি

বাড়ির লোকেদের অনুপস্থিতির সুযোগে দিনের বেলায় তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটল রামপুরহাট শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রফেসর কলোনিতে। শুক্রবার বিকেলের ঘটনা। ওই ওয়ার্ডে চুরি-ছিনতাই এর ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ। সন্ধ্যা বাসিন্দাদের ক্ষোভ, পুলিশকে বলা হলে তারা কেবল তদন্ত করে চলে যায়। কিন্তু অপরাধীদের গ্রেফতার বা চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার হয় না।

পরীক্ষার্থীর দেহ উদ্ধার

রেল লাইনের ধার থেকে এক তরুণীর দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। শুক্রবার রাতে রামপুরহাট রেল স্টেশনের ঘটনা। রেল পুলিশ জানিয়েছে, মৃত তরুণী অলিভা কুণ্ডুর (১৮) বাড়ি কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকায়। মৃতের কাছ থেকে একটি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড মিলেছে। তার থেকেই ওই তরুণীর পরিচয় উদ্ধার করে রেল পুলিশ টালিগঞ্জ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে মৃত তরুণীর পরিবারের কাছে ঘটনার খবর যায়। অলিভার পরিজনেরা জানিয়েছেন, অলিভা শুক্রবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট আনতে স্কুলে গিয়েছিলেন। দুপুরের পর থেকে তাঁর আর খোঁজ মেলেনি। পরে জানা যায় অলিভা অঙ্কে পাশ করতে পারেননি। শনিবার তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। প্রাথমিক তদন্তে রেল পুলিশের অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকে ওই তরুণী ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে, তারা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। রামপুরহাট হাসপাতালে ময়না-তদন্তের পরে এ দিনই তাঁর পরিজনেরা অলিভার দেহ কলকাতায় নিয়ে যান।

উচ্চ মাধ্যমিকের স্কুল ভিত্তিক ফলাফল স্কুল-ভিত্তিক ফলাফল

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy