মারুতি সুইফ্টের সঙ্গে ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল চালকের। আহত এক মহিলা ও শিশু-সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। বুধবার বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে সিউড়ি থানা এলাকার মিনিস্টিলের কাছাকাছি, রানিগঞ্জ-মোরগ্রাম ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। মৃতের নাম সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়(৪০)। বাড়ি পুরুলিয়ার মানবাজারে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার মানবাজার থেকে একটি পরিবার ঝাড়খণ্ডের রঘুনাথপুর এসেছিল। বাড়ি ফেরার পথে উল্টোদিক থেকে আসা ডাম্পারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে দুর্ঘটানটি ঘটে। পুলিশ সকলকেই উদ্ধার করে সিউড়ি হাসপাতালে নিয়ে এলে চালক সোমনাথবাবুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকৎসক। বাকি সকলে সিউড়িতে চিকিৎসাধীন।
এ দিন সিউড়িতে পরিবারের এক সদস্য বলেন, তাঁরা একটি বিয়ের সম্বন্ধের জন্য রঘুনাথপুরে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার সময় আচমকা ডাম্পারটি এসে তাঁদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়িটিও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ়
অন্যদিকে রাজনগরে একটি গাড়ি উল্টে জখম হয়েছেন জনা দশেক যাত্রী। তার মধ্যে একটি শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাঠি ঘঠেছে রাজনগরের ছোট কালিদহ এলাকায়।
অন্যদিকে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম হল তিন যুবক। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে রামপুরহাট শহরের ডাকবাংলা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। আহতদের রামপুরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাঁক ঘুরতে দ্রুত গতিতে দুই প্রান্ত থেকে আসা দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ মণ্ডল, অভিজিৎ মণি অভিযোগ করেন, ছ’ফুঁকো মোড় সংলগ্ন এলাকায় ব্যাঙ্ক রোড, এসডিও বাংলো সংলগ্ন এলাকা, পাঁচমাথা, ভাঁড়শালা মোড়, কামারপুকুর মোড় জায়গাগুলিতে সব সময় যান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকার জন্য এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। তাতে মৃত্যুও বাড়ছে পথ দুর্ঘটনায়। পুলিশ-প্রশাসনের এ ওই এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। রামপুরহাট এসডিপিও জোবি থমাস কে বলেন, ‘‘আমরা নতুন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ চালু করছি। তাতে আশা করা যায় শহরের নতুন ট্র্যাফিক ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।’’