শীতের শুরুতে ধীরে ধীরে জমে উঠছে বিষ্ণুপুরের শিশু বইমেলা। রবিবার ছুটির দিন সন্ধ্যা থেকেই মেলা চত্বরে বাবা-মায়ের সঙ্গে ভি়ড় করেছিল খুদেরা। এক দিকে যেমন মেলা মঞ্চে নতুন বইপ্র কাশকে কেন্দ্র করে চলেছে অনুষ্ঠান, তেমনই চলেছে নাচ-গান-কবিতা পাঠ-আবৃত্তিও।
পছন্দের তালিকায় অবশ্য এখনও সেরা ভূতের গল্প। মেলা ঘুরে দেখা গেল অনেকের হাতেই ঘুরছে ভূতের গল্পের বই। রকমারি জোকস ও কমিকসের বই নিয়েও চলছে কাড়াকাড়ি। ফেলুদা থেকে ব্যোমকেশও বিকোচ্ছে ভাল। একটি স্টলে ভূতের গল্প কেনার বেশ লম্বা লাইন চোখে পড়স। আবার একটি স্টলে আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতার বই কিনছেন ছোটদের সঙ্গে বড়রাও। স্থানীয় প্রকাশন সংস্থার স্টলে লোকসংস্কৃতি ও পুরাতত্ত্ব বিষয়ক বইগুলি নজর কাড়ছে অনেকের।
বিষ্ণুপুর হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অভিশ্রুত মাইতি ও তার সহপাঠী সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মেলার মাঠে দেখা। কী কিনলে জানতে চাইলে তাদের জবাব, ‘ভূতের গল্প’। ছোট্ট পরমা দে-র হাতে আঁকা শেখার বই। তুলি কুচল্যান ও সৌমী মুখোপাধ্যায়ের হাতে ছড়ার। একটি প্রকাশনের কর্ণধার সমর পাল বললেন, “গত পাঁচ বছর ধরে এই মেলায় স্টল করছি। দেখছি বাচ্চারা ভূতের ও ছোটদের ছড়ার বইই পছন্দ করছে বেশি।’’ মেলা কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক রবীন্দ্রনাথ পাত্র জানান, এ বারও মেলায় ভাল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ৬ দিনের মেলা এক দিন বাড়ানো যায় কিনা, চিন্তা-ভাবনা চলছে।