Advertisement
E-Paper

শিশু-বয়স্কদের জন্য ফুটপাথ চাই

শহরে যেটা চোখে বেশি লাগে, সেটা আবর্জনা পরিষ্কারের অভাব। অনেক ওয়ার্ডেই দেখেছি রাস্তার পাশে আবর্জনা ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে। আমি যেখানে থাকি, সেই গোশালা মোড় এলাকায় একটা ছোট বাজার আছে। বাজার থাকলে সাফাইয়ের ব্যবস্থাও থাকা উচিত। মাছের বাজারের নোংরা ও আবর্জনা রাস্তার পাশে জড়ো হয়ে থাকে। একটু হাওয়া দিলেই তা উড়ে গোশালা বাঁধ জলাশয়ে পড়ে। নর্দমাগুলিও আবর্জনায় বুজে যায়।

পুরুলিয়া

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:৩৪
সাহেববাঁধের ধার জুড়ে গাড়ির পার্কিং। চলছে গাড়ি সারাইও।

সাহেববাঁধের ধার জুড়ে গাড়ির পার্কিং। চলছে গাড়ি সারাইও।

শহরে যেটা চোখে বেশি লাগে, সেটা আবর্জনা পরিষ্কারের অভাব। অনেক ওয়ার্ডেই দেখেছি রাস্তার পাশে আবর্জনা ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে। আমি যেখানে থাকি, সেই গোশালা মোড় এলাকায় একটা ছোট বাজার আছে। বাজার থাকলে সাফাইয়ের ব্যবস্থাও থাকা উচিত। মাছের বাজারের নোংরা ও আবর্জনা রাস্তার পাশে জড়ো হয়ে থাকে। একটু হাওয়া দিলেই তা উড়ে গোশালা বাঁধ জলাশয়ে পড়ে। নর্দমাগুলিও আবর্জনায় বুজে যায়। এই দিকটিতে পুরসভা নজর দিলে ভাল হয়। ফুটপাথ না থাকাতেও সমস্যা বাড়ছে। অথচ গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। রাস্তার ধার ঘেঁষে নানা গাড়ি ও রিকশা দাঁড়িয়ে থাকায় হাঁটার জায়গা নেই। বাচ্চাদের ও বয়স্কদের কথা ভেবে অন্তত ফুটপাথ তৈরি হোক।

অনন্যা সাহা, গোশালা মোড়

খোঁড়ার পরে রাস্তা সারানো হয় না

শহরবাসীকে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে শহরে বিভিন্ন পাড়ায় পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। কিছুদিন হল পাইপ বসানোর জন্য বিভিন্ন রাস্তা খোঁড়া হয়েছে। কিন্তু রাস্তা আর সারানো হয়নি। বর্ষায় বিভিন্ন রাস্তার গর্তে জল জমে চলাচলে অসুবিধের সৃষ্টি করছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্টেটব্যাঙ্ক, কোর্ট মোড়ের সংলগ্ন রাস্তায় মেরামতের জন্য কংক্রিটের ঢালাই হচ্ছে। অনেক দিন কাজ শুরু হয়েছে। এখনও শেষ না হওয়ায় যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছে। আর একটা বিষয়, অফিস বা স্কুলের সময়ে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় লরি, বালি বোঝাই ট্রাক্টর ঢুকছে। অথচ ওই সময়ে শহরের মূল রাস্তাগুলিতে ভারী যান ঢুকবে না বলেই জানি। কারও নজর নেই।

উষ্ণীষমণি মুখোপাধ্যায়, রাধাকৃষ্ণ মোড়

রাস্তা জুড়ে গরু

পুরুলিয়া শহরের চেহারা দিন দিন বদলাচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় বদল কোথায়? রাস্তায় রাস্তায় বেওয়ারিশ শুয়োর, গরুর অবাধ বিচরণ। খোদ হাসপাতাল চত্বরে শুয়োর অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড় দখল করে বসে রয়েছে গরু। ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে। অনেক রাস্তায় তো রাতভরই গরু বসে থাকে। তা ছাড়া, বিভিন্ন রাস্তা দিনে দিনে গাড়ি পার্কিংয়ের সৌজন্যে দখল হয়ে যাচ্ছে। রাস্তা মানেই যেন পার্কিং জোন। হাসপাতাল চত্বর বা সাহেব বাঁধের পাড়ও বাদ যায়নি। রাস্তার ধারে এত গাড়ি থাকলে পথচারীরা হাঁটবেন কোথায়?

সিদ্ধার্থ মিশ্র, মুন্সেফডাঙ্গা

জলের সঙ্কট

পুরুলিয়া শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা পানীয় জল। ফি বছর গ্রীষ্মে শহরবাসীকে জলের সঙ্কটে পড়তে হয়। শহরে খাওয়ার জল জোগান দেয় কংসাবতী। কিন্তু গ্রীষ্মে কংসাবতী শুকিয়ে যাওয়ার ফলে জলের আকাল দেখা দেয়। পুরুলিয়া শহরের কিছুটা দূরে চাকলতোড়, হুটমুড়া, আরও কিছুটা দূরে কুমারী নদীর জলাধার রয়েছে। প্রয়োজনে এই জলাধারগুলির গভীরতা বাড়িতে এই জলাধারগুলি থেকে জল নিয়ে আসা হোক। আর কত দিন শহরবাসী এ ভাবে গ্রীষ্মে জলকষ্টে ভুগবেন?

নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, নর্থলেক রোড

পানায় ঢাকা বাঁধ

সাহেব বাঁধ তৈরি হয়েছিল আজ থেকে দেড় দশকেরও বেশি সময় আগে। পুরুলিয়া শহর যখন গড়ে উঠেছিল, তখন শহরবাসীর পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যেই এই জলাশয় খোঁড়া হয়েছিল। সেই জলাশয় আজ জাতীয় সরোবরের মযার্দা পেয়েছে। কিন্তু এর হাল দেখলে খারাপ লাগে। সরোবরের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি জলের বিশুদ্ধতা রক্ষায় নজর দেওয়া হোক। কচুরিপানা পরিষ্কার করা হয়, ফের পানায় ঢেকে যায়। এই অবস্থার কি বদল হবে না?

সোমনাথ সেন, বকুলতলা লেন, নামোপাড়া

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy