সরকারি ত্রাণসামগ্রী (জিআর-এর চাল, গম) দিচ্ছে না পঞ্চায়েত সদস্য। তিন মাস যাবৎ মিলছে না একশো দিনের কাজের প্রকল্পের মজুরিও। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের বেশ কিছু অভিযোগ তুলে বিডিও-র দ্বারস্থ হয়েছেন আদ্রার আড়রা পঞ্চায়েতের বাঁকড়াডাঙা গ্রামের মহিলারা।
বৃহস্পতিবার প্রায় ৫০ জন মহিলা রঘুনাথপুর ১ বিডিও-র কাছে গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য পূর্ণিমা বাউরির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও সুনীতিকুমার গুছাইত। আড়রা পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে হলেও বাঁকড়াডাঙা গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য সিপিএমের। এ দিন মূলত তৃণমূলের উদ্যোগে ওই মহিলারা বিডিও-র কাছে পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে যান। তাঁদের মধ্যে সুমিতা বাউরি, জবা বাউরি, রুমা বাউরিদের অভিযোগ, ‘‘সরকারি ত্রাণ বিলি থেকে ইন্দিরা আবাস যোজনা, গীতাঞ্জলী প্রকল্পে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য তাঁর ভূমিকা পালন করছেন না।” কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বাড়ি নির্মাণের প্রকল্পে পূর্ণিমাদেবী দুর্নীতি করছেন বলেও অভিযোগ ওই মহিলাদের। তবে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পাল্টা দাবি করেছেন পূর্ণিমাদেবী।
তিনি বলেন, ‘‘ইন্দিরা আবাস, গীতাঞ্জলীর মতো প্রকল্পগুলিতে পঞ্চায়েত সদস্যর কার্যত কিছুই করণীয় নেই।” আর একশো দিনের কাজের প্রকল্পে শ্রমিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকায় মজুরি পেতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান পূর্ণিমাদেবী।
বেহাল বাজার। নিকাশি না থাকায় এমনিতেই বেহাল আদ্রার সব্জি বাজার। বৃষ্টিতে আরও খারাপ দশা হয় এই বাজারের। সমস্যায় ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই। আদ্রার স্টেশনের অদূরেই এই সব্জি বাজার।