E-Paper

কোমরে দড়ি কেন, বিরোধীর সঙ্গে প্রশ্ন তুলছে শাসক দলও

বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমাদের অনেক অভিযোগ আছে। কেউ অনিয়ম করলে, আইন অনুযায়ী আদালতে তার বিচার হবে। কিন্তু আইন, সংবিধান না-মেনে কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় ঘোরানো আসলে ক্ষমতার আস্ফালন।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ০৭:৪৪
অধীর চৌধুরী।

অধীর চৌধুরী। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যে পালাবদলের পরে কাঁচরাপাড়া, হাওড়া, বীজপুর-সহ নানা প্রান্তে দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন অনিয়মে অভিযুক্তদের (মূলত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের) পুলিশ কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে বা প্রকাশ্যে ঘোরাচ্ছে।— এমন দৃশ্যের প্রেক্ষিতে আইন আইনের পথে চলুক দাবি জানানোর পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধে মানবাধিকার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছেন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী, সিপিএমের বিভিন্ন নেতারা-সহ নানা পক্ষ। ‘প্রকাশ্য লাঞ্ছনা’ সমর্থন করছে না বিজেপি-ও।

বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমাদের অনেক অভিযোগ আছে। কেউ অনিয়ম করলে, আইন অনুযায়ী আদালতে তার বিচার হবে। কিন্তু আইন, সংবিধান না-মেনে কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় ঘোরানো আসলে ক্ষমতার আস্ফালন। এটা তালিবানি ব্যবস্থা নয়! সংবিধান প্রত্যেককে মর্যাদার অধিকার দিয়েছে।” ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত বা অপরাধী হলেও তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন দাবি করে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আবেদনকারীর আইনজীবী সিপিএম নেতা সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশিকা সত্ত্বেও পুলিশ বার বার কী ভাবে এমন আচরণ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারী।

এই প্রেক্ষিতে রাজ্যের মন্ত্রী আনন্দময় বর্মণও বলেছেন, “আইন আইনের পথে চলবে। আইনি পথেই দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। প্রকাশ্য লাঞ্ছনা সমর্থনযোগ্য নয়। আশা করি, আইনের রক্ষকেরা আইনের দিক মাথায় রেখেই পদক্ষেপ করবেন।”

এরই মধ্যে, রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ১২ পাতার আবেদনপত্র পূরণ করাটা সাধারণ মহিলাদের পক্ষে কঠিন জানিয়ে বিষয়টি সহজবোধ্য করার আর্জি জানিয়েছেন আরএসপি-র গণসংগঠন নিখিল বঙ্গ মহিলা সঙ্ঘের রাজ্য সম্পাদক সর্বানী ভট্টাচার্য। তাঁর আরও বক্তব্য, “আবেদনপত্র সহায়ক এসে পূরণ করে দেবেন বলা হচ্ছে। এমনিতেই অনেক ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। তার উপরে অন্য কেউ এলে, ব্যক্তিগত তথ্য তাঁকেও তো দিয়ে দেওয়া হবে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Adhir Chowdhury Congress BJP TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy