Advertisement
E-Paper

কলকাতা থেকে জেলা, শুক্রেও তৃণমূলের একাধিক কার্যালয় থেকে উদ্ধার ত্রাণসামগ্রী, নথি! মিলল অক্সিজেন সিলিন্ডারও

কলকাতার সার্ভে পার্ক থানা এলাকার পূর্ব রাজাপুর ডি ব্লক এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয় থেকে সরকারি ছাপ দেওয়া ত্রিপল, জনতা স্টোভ, ব্লিচিং ছড়ানোর মেশিন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা হয় কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৮:৩৫
তৃণমূল কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী। শুক্রবার সার্ভে পার্ক থানা এলাকায়।

তৃণমূল কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী। শুক্রবার সার্ভে পার্ক থানা এলাকায়। —নিজস্ব চিত্র।

কলকাতা থেকে জেলা, শুক্রবারও রাজ্যের একাধিক তৃণমূল কার্যালয় থেকে ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হল। কলকাতার সার্ভে পার্ক থানা এলাকার পূর্ব রাজাপুর ডি ব্লক এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয় থেকে সরকারি ছাপ দেওয়া ত্রিপল, জনতা স্টোভ, ব্লিচিং ছড়ানোর মেশিন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা হয় কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ওই কার্যালয়টি এক সময় সিপিএমের দখলে ছিল। পরে সেটির দখল নেয় তৃণমূল। তবে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর ফের ওই কার্যালয়টি ফিরে পেয়েছে সিপিএম। শুক্রবার কার্যালয়ের দরজা খুলে সিপিএম কর্মী-সমর্থকেরা কয়েকটি ট্রাঙ্ক পড়ে থাকতে দেখেন। সেগুলি খুলতেই চোখ কপালে ওঠে প্রত্যক্ষদর্শীদের। তাঁদের দাবি, ভিতরে একগাদা ত্রিপল, মশারি ছিল। বারুইপুর এবং সোনারপুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের নামে জমির নথিপত্রও সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে। কী ভাবে ওই নথি ওই কার্যালয়ে এল, তা স্পষ্ট নয়। ওই কার্যালয় থেকে রাইফেল কেনার একটি স্লিপও উদ্ধার হয়েছে। তবে কোনও রাইফেল বা আগ্নেয়াস্ত্রের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

অন্য দিকে, গঙ্গাসাগরের খাস রামকর চর এলাকায় এক তৃণমূলকর্মীর দোকানে ত্রাণসামগ্রী মজুত করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ওই তৃণমূলকর্মীর নাম ভূপতি মাইতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার ওই দোকানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৪৩টি ত্রিপল, ১১ বস্তা মাছের খাবার এবং ১৩ বস্তা চুন। এই সামগ্রীগুলির গায়ে সরকার এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সিলমোহর রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ​ওই তৃণমূলকর্মীর অবশ্য দাবি, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী তাঁর নয়। তাঁর কথায়, “ওই এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ভোটের আগে নিজের দায়িত্বে এই জিনিসগুলো আমার দোকানে রেখে গিয়েছিলেন।"

বিপর্যয় মোকাবিলা এবং গরিবদের জন্য আসা সামগ্রী রাজনৈতিক দলের নেতার দোকানে থাকবে কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, , এই ত্রাণ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি না করে রাজনৈতিক স্বার্থে আটকে রাখা হয়েছিল। ​ঘটনাটি সামনে আসার পর বিরোধীরা একে বড়সড় দুর্নীতি বলে অভিহিত করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছে।

Relief Material TMC Party Office
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy