E-Paper

বেতনে টান সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে, আশ্বাস রাজ্যের

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান বা শিক্ষা-নীতিতে কোনও রদবদল হচ্ছে না বলেই উচ্চ আধিকারিকদের তরফে স্পষ্ট করা হয়।

ঋজু বসু

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৭:০২

—প্রতীকী চিত্র।

গবেষণা এবং পঠনপাঠন সংক্রান্ত রাজ্যের বেশ কয়েকটি সরকার-নির্ভর প্রতিষ্ঠান আর্থিক সঙ্কটে জেরবার। সূত্রের খবর, ওই প্রতিষ্ঠানগুলির কাদের কী আয় বা পুঁজির উৎস, তা জানতে চেয়ে ইতিমধ্যে বার্তা দিয়েছে রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দফতর। এর ফলে, বিপুল পরিমাণ ভাতার ব্যয়ভার এবং ঋণে কাবু রাজ্যে ওই পঠনপাঠন সংস্থাগুলির জন্য বরাদ্দ অর্থ আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা দানা বাঁধছে।

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান বা শিক্ষা-নীতিতে কোনও রদবদল হচ্ছে না বলেই উচ্চ আধিকারিকদের তরফে স্পষ্ট করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ়, কলকাতা বা জগদীশ বসু ন্যাশনাল ট্যালেন্ট সার্চের মতো প্রতিষ্ঠানের কাছে নির্দিষ্ট বরাদ্দ অর্থ এসে না-পৌঁছনোয় চলতি বছরে কর্মী, আধিকারিকদের মাস মাইনের বন্দোবস্ত করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। আইডিএসকে-তে নানা ধরনের গবেষণা ছাড়াও সদ্য স্নাতকোত্তরের পাঠ চালু হচ্ছে। ন’জন শিক্ষক ছাড়াও সব মিলিয়ে ২০-২৫ জন কর্মী রয়েছেন। শিক্ষক তথা অধ্যাপকদের পদোন্নতির কোনও সংস্থান নেই প্রতিষ্ঠানটিতে। এখন এর সঙ্গে আর্থিক বরাদ্দ এবং নির্ধারিত বেতনে টান পড়ায় তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

জগদীশ বসু ন্যাশনাল ট্যালেন্ট সার্চের মতো সংস্থা স্কুল বা উচ্চ শিক্ষার স্তরে নানা পরীক্ষা, সায়েন্স অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে। তাদের ১৪-১৫ জন আধিকারিক, কর্মী আছেন। এ ছাড়া, বঙ্কিম ভবন গবেষণাকেন্দ্র, নেতাজি ইনস্টিটিউট অব এশিয়ান স্টাডিজ়, ইনস্টিটিউট অব হিস্টোরিক্যাল স্টাডিজ়ের মতো প্রতিষ্ঠানের কিছু সমস্যার দিকও সামনে আসে। তবে আইএইচএস-এর তরফে সমস্যা মিটে গিয়েছে বলে জানানো হয়।

আইডিএসকে-র প্রেসিডেন্ট ওমপ্রকাশ মিশ্র উদ্ভূত সমস্যা নিয়ে বলেন, ‘‘সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি, এই সমস্যা সাময়িক। সাময়িক ভাবে আমাদের বিষয়টি নিজেদের মতো সামলে নিতে বলা হয়েছে। তবে আশা করছি, শীঘ্রই সব মিটে যাবে। পাশাপাশি, আমাদেরও আর্থিক শৃঙ্খলার সমস্যা ছিল। যেমন, টাকা নেওয়ার নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কিছু বিষয় শুধরোতে হবে আমাদেরও।’’ বিকাশ ভবনের তরফে একটি সূত্রেও বিষয়টির ব্যাখ্যা করা হয়। ওমপ্রকাশ বলেন, ‘‘কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা মিটেছে। কয়েকটির নিষ্পত্তির পথে। টাকা বরাদ্দ বা সংস্থান, সবই নিরন্তর প্রক্রিয়া। বিষয়টি নিয়ে দুর্ভাবনার কারণ নেই।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Education system Research West Bengal government financial crisis

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy