Advertisement
০২ মার্চ ২০২৪
Sukanya Mondal

অনুব্রতের মতো তিহাড়েই ঠাঁই কন্যা সুকন্যার, ১২ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল দিল্লির আদালত

গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত সুকন্যা মণ্ডল। ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাঁকে দিল্লির আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেখানেই তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হল। আপাতত তাঁর ঠাঁই হল তিহাড়ে।

image of sukanya mandal

গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত সুকন্যা মণ্ডল। — ফাইল ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১১:৪৪
Share: Save:

অনুব্রত মণ্ডলের মতো কন্যা সুকন্যা মণ্ডলও আপাতত তিহাড় জেলেই থাকবেন। তাঁকে ১২ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালত। গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত সুকন্যা। ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাঁকে দিল্লির আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেখানেই তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হল। আদালত জানিয়েছে, জেল কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলে অনুব্রতের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারবেন সুকন্যা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র তাতে কোনও আপত্তি নেই।

গত বুধবার গরু পাচার মামলায় দীর্ঘ ক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুকন্যাকে। তার পর হাতে গ্রেফতার হন তিনি। ইডির গ্রেফতারির পর শনিবার পর্যন্ত ইডির হেফাজতে পাঠানো হয় তাঁকে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়। এই গরু পাচার মামলায় সাড়ে আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তার পর থেকেই তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয়েছিল সুকন্যাকে। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অনুব্রত-কন্যাকে। ইডি সূত্রে দাবি, সুকন্যা জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করেন। তার পরই সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গরু পাচার মামলায় অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ইডি। অনুব্রত এবং তাঁর পরিবারের সম্পত্তি সংক্রান্ত খোঁজখবর জানতে সুকন্যাকেও তলব করেছিল ইডি। গত মার্চ মাসেই তাঁকে এক বার তলব করা হয়। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়ান। তার আগের বার আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে সুকন্যা বেশ কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন। তৃতীয় বারও তিনি ইডির তলব এড়ান। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানানো হয়, সুকন্যা শারীরিক ভাবে অসুস্থ।

সুকন্যার নামে বিপুল সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির। বোলপুরে তাঁর মালিকানায় প্রচুর জমিজমা রয়েছে। ব্যাঙ্কে ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজ়িটও রয়েছে সুকন্যার। এই সম্পত্তি হিসাব বহির্ভূত বলে দাবি ইডির। গরু পাচারকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। ইডি দাবি করে, বিপুল সম্পত্তি নিয়ে কেষ্ট-কন্যার কাছে প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু তিনি সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়ে দেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর তাঁর বাবা এবং হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই (যিনি এখন ইডি হেফাজতে) দিতে পারবেন। ইডি সূত্রে খবর, ওই কারণেই অনুব্রত এবং সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ভাবা হয়।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE