Advertisement
E-Paper

‘সব হিসাব মিলিয়ে দিয়েছি’, প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে বললেন তাপস মণ্ডল

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান তাপস মণ্ডল। রাত ১২টা নাগাদ তিনি ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২২ ২২:৩৯
তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির।

তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির। ফাইল চিত্র।

দুপুর গড়িয়ে রাত। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে এলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (কলকাতায় যেখানে ইডির দফতর রয়েছে) যান তাপস। রাত ১২টার নাগাদ তিনি ইডি দফতর থেকে বার হওয়ার সময় তিনি বলেন, “যা বলার ইডিকে সব বলেছি। সব হিসাব মিলিয়ে দিয়েছি।”

ডিএলএড কোর্সে ভর্তির জন্য পড়ুয়াদের কাছ থেকে অফলাইনে ভর্তির জন্য প্রায় ২১ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাপস। লোক পাঠিয়ে এই টাকা সংগ্রহ করতেন মানিক! এমনটাই অভিযোগ করেছেন তাপস। এই মামলায় বুধবার মালিক-ঘনিষ্ঠকে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, সেখানেই তিনি দাবি করেছেন, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মোট ৪১ হাজার পড়ুয়ার কাছ থেকে অফলাইনে ভর্তির জন্য বাড়তি টাকা নেওয়া হয়েছে। সেই টাকা গিয়েছে মানিকের কাছেই। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোনোর পর দাবি করেছিলেন যে, বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়ে ২১ কোটি টাকার হিসাব দেবেন। কারণ কোথাও একটা গরমিল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে ঢোকার মুখে তাপস বলেন, ‘‘পর্ষদের সভাপতি ছিলেন উনি। স্বাভাবিক ভাবে উনিই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অনিয়ম হয়েছে কি না, বোর্ড বলতে পারবে।’’ তিনি জানিয়েছেন যে, তাঁর মহিষবাথানের অফিসে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাপসের দাবির পর ডিএলএড-এর অফলাইন ভর্তিপ্রক্রিয়া ইডি-র আতশকাচের নীচে।

তাপস আরও দাবি করেছেন, ২০১৮ সালে ডিএলএড কলেজে অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, অনেক আসন ফাঁকা পড়ে আছে। কী ভাবে সেই আসনগুলি ভর্তি করা যায়, সে বিষয়ে তৎকালীন পর্ষদ সভাপতি মানিকের কাছে তিনি দরবার করেন বলে জানিয়েছেন। তখনই মানিকের সঙ্গে কথা বলে পড়ুয়াদের থেকে ‘লেট ফি’ বাবদ নগদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে অফলাইন রেজিস্ট্রেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইডি সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত তিনটি শিক্ষাবর্ষে টেটের জন্য ডিএলএড প্রশিক্ষণ নিতে ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীদের থেকে নিয়মিত ভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। মূলত ডিএলএড প্রশিক্ষণের যে ৬০০টি কলেজ রয়েছে, সেখানে অফলাইনে ভর্তির জন্যই নেওয়া হত ওই অর্থ।

TET TET Scam Tapas Mandal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy