Advertisement
E-Paper

‘জনতার দরবার’ শুরু করলেন শুভেন্দু! বিজেপির সল্টলেকের দফতরে সমস্যা জানিয়ে লোকজন বললেন, ‘স্বস্তি পেলাম’

সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আচমকাই বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয় যে, সল্টলেকে বিজেপির দফতরে সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন শুভেন্দু। ঘোষণার ৪৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১৫:২৭
‘জনতার দরবার’-এ (বাঁ দিকে) শশী অগ্নিহোত্রী। শুভেন্দু অধিকারী (মাঝে)। লকেট চট্টোপাধ্যায় (ডান দিকে)।

‘জনতার দরবার’-এ (বাঁ দিকে) শশী অগ্নিহোত্রী। শুভেন্দু অধিকারী (মাঝে)। লকেট চট্টোপাধ্যায় (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

বলেছিলেন আগেই। সেই মতো সোমবার ‘জনতার দরবার’ শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সকালে বিজেপির তরফে ঘোষণার কিছু ক্ষণ পরেই সল্টলেকে দলীয় দফতরে হয় সেই কর্মসূচি। সেখানে গিয়ে ‘বন্ধ ঘরে’ মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন বেশ কয়েক জন। স্থানীয় এক জন দফতর থেকে বেরিয়ে জানান, অতীতে সিন্ডিকেটের জন্য কী সমস্যায় পড়েছেন, সেই কথা তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। অন্য এক তরুণী জানিয়েছেন, তিনি শুভেন্দুকে সমস্যার কথা জানাতে পেরে স্বস্তিতে রয়েছেন।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছিল, সপ্তাহে এক দিন বা দু’দিন দু’ঘণ্টা করে ‘জনতার দরবার’ করবেন শুভেন্দু। তবে কোথায়, কখন তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি। সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ আচমকাই বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয় যে, সল্টলেকে বিজেপির দফতরে সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন শুভেন্দু। ঘোষণার ৪৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। ভবনের দোতলায় সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে ‘দরবার’ করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, শশী অগ্নিহোত্রী। ঘণ্টাখানেক চলে সেই কর্মসূচি। এর পরে কোথায়, কখন হবে সেই কর্মসূচি, সে বিষয়ে বিজেপি এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি। কর্মসূচির স্থানও চূড়ান্ত হয়নি বলেই খবর।

‘জনতার দরবার’ থেকে বেরিয়ে এক তরুণী জানান, মুখ্যমন্ত্রী যে সময় দিয়ে তাঁদের কথাটা শুনেছেন, তাতেই তাঁরা স্বস্তি অনুভব করছেন। ওই তরুণী পেশায় নার্স। বিধাননগরের বাসিন্দা সুরেশ সাউ বলেন, ‘‘বাড়ি তৈরির জন্য স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের থেকে বালি, সিমেন্ট কিনতে হত। সিন্ডিকেট রাজ চলত। সেটাই আমরা আজ মুখ্যমন্ত্রীকে জানালাম। তিনি বিধাননগরের থানার ডিসি-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।’’

বিজেপির দফতরে ‘জনতার দরবার’ করার পরে মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকে বসেন শুভেন্দু। সেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পরে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সেই ঘোষণাগুলির কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিমিত্রা বলেন, “যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন, তাঁদেরই নাম অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হবে। যাঁরা এত দিন পাননি, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন। শীঘ্রই পোর্টাল খোলা হবে।”

Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy