E-Paper

অভিন্ন দেওয়ানি বিধির চিন্তা রাজ্যে

তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথা রদের পরে গোটা দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার পক্ষপাতী বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্তরে অবশ্য এখনও এ নিয়ে কোনও উদ্যোগ হয়নি। পরিবর্তে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে এক-এক করে ওই আইন চালু করার কৌশল নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ০৬:৩২

—প্রতীকী চিত্র।

আগামী মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে দল ভাল ফল করায় রাজ্যের একাধিক সাংসদ কেন্দ্রে মন্ত্রী হতে পারেন ভেবে আশাবাদী রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। পাশাপাশি, অন্যান্য বিজেপি-শাসিত রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে।

তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথা রদের পরে গোটা দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার পক্ষপাতী বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্তরে অবশ্য এখনও এ নিয়ে কোনও উদ্যোগ হয়নি। পরিবর্তে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে এক-এক করে ওই আইন চালু করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। উত্তরাখণ্ড ও গুজরাতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং উত্তরপ্রদেশে কী ভাবে ওই আইন প্রয়োগ করা যায়, তা খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। অসম ও পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে।

আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা বিজেপির ঘোষিত অবস্থান। অন্য বিজেপি-শাসিত রাজ্যে ওই আইন চালু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও অদূর ভবিষ্যতে তা হবে। কিন্তু কবে হবে, তা রাজ্য মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেবে।” দু’দিনের দিল্লি সফরে এসেছেন শমীক। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

পাঁচ রাজ্যে ভোট-পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়েও চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বিজেপি। সূত্রের মতে, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে রয়েছে। মহারাষ্ট্র ও বিহারের একাধিক শরিক দলের সাংসদকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অভূতপূর্ব ফলের পরে রাজ্য থেকে এক বা একাধিক সাংসদকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর চর্চা। কারা মন্ত্রী হতে পারেন, জল্পনা চলছে তা নিয়েও। সূত্রের মতে, রাঢ় বাংলায় বিজেপির ভাল ফলের পিছনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তাঁকে পুরস্কৃত করা হতে পারে। অনেকের মতে মন্ত্রিত্ব পাওয়ার দৌড়ে আছেন শমীক ভট্টাচার্য নিজেও। উদাহরণ দিয়ে তাঁরা বলছেন, গুজরাতে গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির ভাল ফলের পিছনে সে রাজ্যের সভাপতি সি আর পাটিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তার পরে তাঁকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে দল। তাই শমীকের ভাগ্যেও শিকে ছিঁড়তে পারে বলে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য বিজেপিতে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

central cabinet BJP

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy