Advertisement
E-Paper

এসআইআরের জন্য ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসার দিতে পারবে, কমিশনকে জানিয়ে রাখল নবান্ন, সোমে ফের শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় সওয়াল করেছিলেন মমতা। কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, রাজ্য এসআইআরের কাজের জন্য পর্যাপ্ত গ্রুপ-বি অফিসার দেয়নি। তাই ভিন্‌ রাজ্যের আধিকারিক নিয়োগ করতে হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৬
এসআইআরের শুনানিতে নথিপত্র নিয়ে ভোটারেরা। নদিয়ার একটি কেন্দ্রে।

এসআইআরের শুনানিতে নথিপত্র নিয়ে ভোটারেরা। নদিয়ার একটি কেন্দ্রে। ছবি: পিটিআই।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজের জন্য ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দিতে পারবে রাজ্য সরকার। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে, শনিবার নবান্নের তরফে একটি চিঠি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি রয়েছে। আগের দিনের মতো আবার সেখানে সওয়াল করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। তার আগে কমিশনকে গ্রুপ-বি আধিকারিকের সংখ্যা জানিয়ে রাখা হল।

গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় সওয়াল করেছিলেন মমতা। তখন কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার এসআইআরের কাজের জন্য পর্যাপ্ত গ্রুপ-বি অফিসার দেয়নি। তাই বাইরের রাজ্য থেকে আধিকারিকদের নিয়োগ করতে হয়েছে। এর পর আদালত রাজ্য সরকারকে তালিকা দিতে বলেছিল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানিয়েছিল, কত জন গ্রুপ-বি আধিকারিককে রাজ্য সরকার এসআইআর-এর কাজের জন্য দিতে পারবে, তা সোমবারের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। সেই মতো শনিবারই কমিশনকে সংখ্যা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গত শুনানিতে মমতা অভিযোগ করেছিলেন, নামের বানানের ভুলের জন্য কিংবা পদবি পরিবর্তনের জন্য অনেক ভোটারকে এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের হেনস্থা হচ্ছে। আদালত জানিয়েছিল, বানানের ছোটখাটো ভুলের জন্য কারও নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না-যায়, তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য বাংলা ভাষা বোঝেন, এমন অফিসারের তালিকা দিতে বলা হয়েছিল নবান্নকে। আদালত জানিয়েছিল, এসআইআরের কাজে বাংলায় সাবলীল আধিকারিকদের নিয়োগ করলেই ভাষা বা বানান সংক্রান্ত সমস্যাগুলি দূর হবে। এর পরেই কমিশন আদালতে জানায়, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার মাত্র ৮০ জন ‘গ্রেড-২’ অফিসারকে নিয়োগ করেছে, যা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। বেশি করে দেওয়া হয়েছে অঙ্গনওয়ারি কর্মীর মতো নিম্নস্তরের সরকারি চাকুরেদের। কমিশনের বক্তব্যের বিরোধিতা করে মমতা অবশ্য জানিয়েছিলেন, এসআইআরের কাজে রাজ্য সরকার সবরকম সহায়তা করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলায় আগের দিন কমিশনকে নোটিস জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবারের মধ্যে কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে উত্তর চাওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে শুনানির নোটিস ধরানোর ক্ষেত্রে কমিশনের আধিকারিকদের আরও সংবেদনশীল হতে হবে বলেও জানায় আদালত। এই অবস্থায় সোমবার শুনানির দিকে নজর রয়েছে সকলের। গত ২৬ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের প্রক্রিয়া চলছে। কাজ প্রায় শেষের দিকে। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানি প্রক্রিয়া শেষ করার কথা ছিল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কমিশন প্রকাশ করবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তবে শুনানির কাজ এখনও অনেক জায়গায় শেষ হয়নি বলে খবর। কমিশনের কাছে তার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন আরও পিছিয়ে যাবে কি না, তা অবশ্য সময়ই বলবে।

West Bengal SIR Mamata Banerjee Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy