Advertisement
E-Paper

বিএনপি-সহ সব রাজনৈতিক দলের উপেক্ষা! ইস্তাহার দেখে হতাশ ও উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা, জারি বিবৃতি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সব রাজনৈতিক দলই নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করছে। কিন্তু সংখ্যালঘুরা হতাশ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৩
সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের প্রতিবাদে বাংলাদেশে বিক্ষোভ।

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের প্রতিবাদে বাংলাদেশে বিক্ষোভ। —ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমবর্ধমান হিংসার ঘটনাকে লঘু করে দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইস্তাহার দেখে উদ্বিগ্ন সে দেশের সংখ্যালঘুদের সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। শনিবার এ বিষয়ে একটি বিবৃতি জারি করে তারা ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বিএনপি-র মহাসচিব মির্জা ফখরুলের সাক্ষাৎকার নিয়েও।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই নির্বাচনে প্রাক্তন শাসকদল আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত। তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে লড়ছে বিএনপি, জামাত, এনসিপি এবং অন্যান্য দলগুলি। সম্প্রতি একাধিক দল নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। অভিযোগ, সেখানে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ উপেক্ষিত। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংগঠন বিবৃতিতে লিখেছে, ‘‘বিএনপি-সহ দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইস্তাহারে এক দশমাংশ সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সামগ্রিক ভাবে উপেক্ষিত থাকায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। নির্বাচনী প্রচারে মৌখিক ভাবে নিরাপত্তার অভয়দান সংখ্যালঘু জনমনে কোনও ভাবে আস্থা ও আশা জাগাতে পারছে না।’’

কিছু দিন আগে বিএনপি-র মহাসচিব আল জাজ়িরাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মন্তব্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংগঠনটি। দাবি, ফখরুল সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনাগুলিকে ‘নিছক রাজনৈতিক বিষয়’ বলে লঘু করে দেখিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘নির্বাচনের প্রাক্কালে সংখ্যালঘুদের প্রতি রাজনৈতিক দল ও জোটের এমন নির্মম উপেক্ষা ও অবহেলা আমাদের হতাশ করেছে।’’ ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তাঁরা। পরিষদের মতে, এতে ভোটবাক্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভারতে চলে আসেন শেখ হাসিনা। তার পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে। সে দেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতও।

Bangladesh Bangladesh Election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy