Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

একটু দেরি, তবু ভাল বর্ষার আশ্বাস দিলেন আবহবিদরা

মূল ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে সে দেরি করে ফেলছে সাতটি দিন। তবে দেরিতে ঢুকলেও তা চাষিদের কাছে অভিশাপের কারণ হবে না। বরং এ বার স্বাভাবিক বৃষ্টি পাব

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৩ জুন ২০১৬ ০৩:৪৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

মূল ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে সে দেরি করে ফেলছে সাতটি দিন। তবে দেরিতে ঢুকলেও তা চাষিদের কাছে অভিশাপের কারণ হবে না। বরং এ বার স্বাভাবিক বৃষ্টি পাবে গোটা দেশ।

বৃহস্পতিবার দিল্লির মৌসম ভবন বর্ষার যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, কেরলে এ বার বর্ষা ঢুকবে আগামী মঙ্গলবার নাগাদ। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের সাত দিন পরে। কেরল দিয়ে মূল ভারতীয় ভূখণ্ডে বর্ষা ঢোকার কথা ১ জুন। কিন্তু বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আরব সাগরের জলীয় বাষ্প টেনে নেওয়ায় গত সপ্তাহ পর্যন্ত কেরল দিয়ে বর্ষা কবে ঢুকবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছিল না। মৌসম ভবনের এক আবহবিদ জানাচ্ছেন, রোয়ানু শক্তি হারিয়ে বাংলাদেশের গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পরে আরব সাগরে সক্রিয় হতে শুরু করে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। বায়ুপ্রবাহ বর্ষার অনুকূল হয়ে যাওয়ায় কেরলে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি।

ভারত মহাসাগর, আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের বায়ুপ্রবাহ এবং এল নিনোর গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে এপ্রিল মাসেই মৌসম ভবন জানায়, এ বার বর্ষা কিন্তু স্বাভাবিকের থেকে বেশি হবে। তার পরে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। কিন্তু তা যে এ বার বর্ষা-ভাগ্যে খুব একটা হেরফের ঘটাতে পারেনি এ দিন মৌসম ভবনের দ্বিতীয় পূর্বাভাসে তা স্পষ্ট। মৌসম ভবন জানাচ্ছে, বর্ষা দেরিতে ঢোকায় জুনের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে শুরু হবে বৃষ্টি। সব থেকে বেশি বৃষ্টি পাবে দেশের মধ্য ভাগ এবং দক্ষিণাঞ্চল। স্বাভাবিকের ১১৩ শতাংশ বৃষ্টি হওয়ার কথা। পঞ্জাব, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশে অর্থাৎ উত্তর-পশ্চিম ভারতে স্বাভাবিকের ১০৮ শতাংশ বৃষ্টি হওয়ার কথা। তবে সব থেকে কম বৃষ্টি পাবে সমগ্র পূর্ব এবং উত্তরপূর্ব ভারত। এ বার বছরের শুরু থেকেই দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত খুব কম হয়েছে। মধ্য ভারতের বিভিন্ন জায়গায় খরাও ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ব ভারতে তাপপ্রবাহ চলেছে টানা কয়েক দিন ধরে। রাজস্থানে কোথাও কোথাও তাপমাত্র ৮৯-৫০ ডিগ্রিতে ঘোরাফেরা করেছে। তাই এ বার স্বাভাবিক বর্ষা না হলে কৃষকদের মাথায় হাত পড়ত।

Advertisement


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement