Advertisement
E-Paper

জিজ্ঞাসাবাদে আট সিপি সদস্যকে থানায় তলব

সবংয়ের ছাত্র খুনের ঘটনায় ছাত্র পরিষদের (সিপি) আট সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকল পুলিশ। নোটিস দিয়ে তাঁদের মেদিনীপুরের কোতয়ালি থানায় হাজির হতে বলা হয়। তাঁদের মধ্যে তিন প্রাক্তন ছাত্রও রয়েছেন। পুলিশের এই তলবের মধ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০১৫ ০৩:১৮

সবংয়ের ছাত্র খুনের ঘটনায় ছাত্র পরিষদের (সিপি) আট সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকল পুলিশ। নোটিস দিয়ে তাঁদের মেদিনীপুরের কোতয়ালি থানায় হাজির হতে বলা হয়। তাঁদের মধ্যে তিন প্রাক্তন ছাত্রও রয়েছেন। পুলিশের এই তলবের মধ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, শুধু ছাত্র পরিষদের সদস্যদের থানায় ডেকে মুখ্যমন্ত্রীর বলা ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বে মান্যতা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

গত ৭ অগস্ট সবংয়ের সজনীকান্ত মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র-সংঘর্ষের সময়ে মাথায় চোট পেয়ে মারা যান কৃষ্ণপ্রসাদ জানা। কলেজের ছাত্র সংসদ সিপির
দখলে। কলেজ সূত্রের খবর, ওই দিনই প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান নিয়ে বৈঠক ছিল। বৈঠকে যোগ দিতে কিছু প্রাক্তন ছাত্র তথা সিপি-র কলেজ শাখার সদস্যেরা ওই দিন কলেজে যান। নোটিস পেয়ে এ দিন দুপুরে যে চার জন কোতয়ালি থানায় যান, তাঁদের অন্যতম ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সৌগম সেন ও ছাত্র সংসদের বর্তমান সহ-সাধারণ সম্পাদক সুমন বেরা। অন্য দু’জন সিপি-র সাধারণ কর্মী। সৌগমের দাবি, “আমি পৌঁছনোর আগেই কলেজে গোলমাল শুরু হয়ে যায়। তাই কলেজে ঢুকতে পারিনি।’’

পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি ভারতী ঘোষ সোমবারই দাবি করেন, তদন্তে প্রায় স্পষ্ট যে ছাত্র পরিষদের নিজেদের অশান্তির জেরেই খুন হন কৃষ্ণপ্রসাদ। ঘটনাচক্রে তার পরেই সবংয়ের ঘটনার তদন্তকারী অফিসার আনন্দ মণ্ডলকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার উপরে এ বার পুলিশ সিপি-র কর্মীদের থানায় ডাকায় ক্ষুব্ধ ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহ-সভাপতি মহম্মদ সইফুল। তাঁর অভিযোগ, ‘‘মামলার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা হচ্ছে।’’ প্রায় একই সুরে সবংয়ের কংগ্রেস বিধায়ক মানস ভুঁইয়ার মন্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলা ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বে মান্যতা দিতে পুলিশ মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই ছাত্র পরিষদের কর্মীদের ডেকে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা চলছে।’’

Advertisement

অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)-এর জেলা সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি। তাঁর মন্তব্য, ‘‘সৎ সাহস থাকলে তদন্তের কাজে ওঁদের পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।” বহু চেষ্টা করেও পুলিশ সুপারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। এসএমএসে তিনি মন্তব্য করতে চাননি। তবে জেলা পুলিশের এক কর্তার দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে যাঁদের নাম পাওয়া গিয়েছে, তাঁদেরই জেরায় ডাকা হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy