Advertisement
E-Paper

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পকে পাল্টা! আমেরিকার গাড়ির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাল কানাডা

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের উপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন। সেই তালিকায় কানাডা নেই। তবে আগে থেকেই কানাডার বেশ কিছু পণ্যের উপর শুল্ক চাপিয়ে রেখেছিলেন ট্রাম্প।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৫ ২৩:৩১
(বাঁ দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্ক কার্নে (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

(বাঁ দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্ক কার্নে (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র। —ফাইল চিত্র।

আমেরিকা থেকে যে সমস্ত গাড়ি কানাডায় আমদানি করা হয়, সেগুলির উপর ২৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপ করল কানাডা। বৃহস্পতিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে এই ঘোষণা করেছেন। বুধবার, ভারতীয় সময় অনুযায়ী গভীর রাতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের উপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেন। সেই তালিকায় ছিল না কানাডা। তবে আগে থেকেই কানাডার বেশ কিছু পণ্যের উপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করে রেখেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর শুল্ক সংক্রান্ত ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাই পাল্টা দিলেন কার্নে। তিনি ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতিকে বিশ্ব বাণিজ্যের নিরিখে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ (ট্র্যাজেডি) বলে উল্লেখ করেছেন।

কার্নে জানিয়েছেন, আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত গাড়ির উপর আমেরিকার শুল্কনীতি অনুসরণ করেই ২৫ শতাংশ কর চাপানো হচ্ছে। তবে আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকোর বাণিজ্যচুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমন গাড়ির ক্ষেত্রেই এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে। মেক্সিকোর গাড়ি থেকে এই শুল্ক নেওয়া হবে না। গাড়ি তৈরির সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও এই শুল্ক প্রযোজ্য নয়। এর আগে কানাডা যে শুল্ক আরোপ করেছিল, তা একই রকম থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্রাম্পের শুল্কনীতির সমালোচনা করতে গিয়ে কার্নে বলেন, ‘’৮০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ব অর্থনীতিকে নেতৃত্ব দিয়েছে আমেরিকা। বিশ্বাস এবং পারস্পরিক নির্ভরতার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তারা জোট তৈরি করেছিল। পণ্য এবং পরিষেবার অবাধ বিনিময়কে তারা সমর্থন করত। সেই দিন এখন অতীত। এটা দুর্ভাগ্যজনক।’’

ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির ফলে আমেরিকার সাধারণ মানুষেরই ক্ষতি হবে, মনে করছেন কার্নে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমেরিকার জনগণের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে ট্রাম্পের নীতি বদলানো উচিত। কিন্তু আমি কোনও মিথ্যা আশা দিতে চাই না।’’ কার্নের মতে, আমেরিকা যে খুব তাড়াতাড়ি এই নীতি থেকে সরে আসছে না, তা ট্রাম্পের আচরণেই এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তবে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কানাডা লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিবেশী কানাডার উপর শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছেন ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ ছিল, কানাডা থেকে আমেরিকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটে এবং কানাডা সরকার তা ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে না। অনুপ্রবেশের পাল্টা দিতে গিয়ে কানাডার উপর কর চাপিয়েছিলেন ট্রাম্প। তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। এ বার ট্রাম্পের শুল্কনীতির পাল্টা দিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রীও।

Donald Trump US Tariff Mark Carney
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy