Advertisement
E-Paper

আমেরিকা নাক গলাল কেন? এ বার ফিলিপিন্সকে শাসাল চিন

আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে কাজ হয়নি। দক্ষিণ চিন সাগর থেকে যুদ্ধজাহাজ এখনই সরাচ্ছে না পেন্টাগন। তাই ফিলিপিন্সকে এ বার কড়া সতর্কবার্তা পাঠাল বেজিং। দক্ষিণ চিন সাগরে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইতে চিন-ফিলিপিন্স দ্বন্দ্ব ঘিরেই ঘনিয়েছে যুদ্ধের মেঘ।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০১৫ ২০:২২

আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে কাজ হয়নি। দক্ষিণ চিন সাগর থেকে যুদ্ধজাহাজ এখনই সরাচ্ছে না পেন্টাগন। তাই ফিলিপিন্সকে এ বার কড়া সতর্কবার্তা পাঠাল বেজিং। দক্ষিণ চিন সাগরে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইতে চিন-ফিলিপিন্স দ্বন্দ্ব ঘিরেই ঘনিয়েছে যুদ্ধের মেঘ। তাই বেজিংয়ের হুঁশিয়ারি, চিনের সঙ্গে কথা বলেই সমস্যা মিটিয়ে নিক ফিলিপিন্স। না হলে ফল ভাল হবে না।

চিনা বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে করা মামলা ফিলিপিন্স প্রত্যাহার করে নিক এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুক। প্রকারান্তরে বেজিং বলতে চেয়েছে, জলসীমা নিয়ে দু’দেশের বিরোধের বিষয়টি নিয়ে যদি ফিলিপিন্স আন্তর্জাতিক মঞ্চে হইচই করা বন্ধ না করে, তা হলে ফল খারাপ হবে। গোটা পরিস্থিতির জন্য ফিলিপিন্সকেই দায়ী করে চিনের বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ‘‘ফিলিপিন্সের প্রচারে থাকার চেষ্টা বেজিং ও ম্যানিলার মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস নষ্ট করছে। ফিলিপিন্সের প্ররোচনায় দু’দেশের সম্পর্ক নজিরবিহীনভাবে তলানিতে পৌঁছেছে।’’ কূটনৈতিক রীতিনীতির নিরিখে চিনা বিদেশ মন্ত্রকের বয়ানের এই ভাষা অত্যন্ত কঠোর। সচেতনভাবেই চিন ফিলিপিন্সকে এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

দক্ষিণ চিন সাগরে জলসীমা নিয়ে চিনের সঙ্গে একাধিক দেশের বিরোধ রয়েছে। শুধু ফিলিপিন্স নয়- জাপান, ভিয়েতনামের সঙ্গেও জলসীমা নিয়ে চিনের বিবাদ দীর্ঘ দিনের। ফিলিপিন্সের কাছাকাছি সমুদ্রে একটি কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সেখানে নানা সামরিক পরিকাঠামো তৈরি করছে চিন। ফিলিপিন্সের দাবি, ওই এলাকা ফিলিপিন্সের জলসীমায়। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয় ফিলিপিন্স। চিন প্রথম থেকেই ট্রাইব্যুনালকে মানতে চায়নি। তাদের দাবি, নিজেদের জলসীমায় দ্বীপ তৈরি করেছে তারা। কিন্তু, বন্ধু রাষ্ট্র ফিলিপিন্সের পাশে দাঁড়াতে আমেরিকা দক্ষিণ চিন সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে চিনের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় ট্রাইব্যুনাল। বেজিংকে জানানো হয়, বিষয়টির মিমাংসা ট্রাইব্যুনালই করবে। কারণ যেখানে চিন দ্বীপ তৈরি করে সামরিক পরিকাঠামো গড়ছে, তা আদৌ চিনের জলসীমার মধ্যে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

দক্ষিণ চিন সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের হানাদারি ঘিরে দু’দেশের মধ্যে পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এ নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে চিন ও আমেরিকার কথাও হয়েছে। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। তাই এবার ফিলিপিন্সকেই সরাসরি সতর্কবার্তা।

হুমকির আবহেই কথা শুরু করল চিন-আমেরিকা

China Philippines USA South China Sea Alerts Warning Interference Third party
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy