ইরানকে সময়ের গুরুত্ব বোঝালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! হুঁশিয়ারির সুরে জানালেন, ইরান দ্রুত আলোচনায় না-বসলে তাদের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এ কথা জানিয়ে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক অভিযান শুরু করার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রবিবার সমাজমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। নয়তো তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।”
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি বজায় রয়েছে। কিন্তু তার মেয়াদ কত দিন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহে ইরানের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করতে একগুচ্ছ শর্ত রেখেছে আমেরিকা। যেমন ইরানকে ৪০০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে বলা হয়েছে। তা ছাড়া আমেরিকা ইরানের যে সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে, সেগুলি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে চায়নি। আলোচনায় রফাসূত্র মিললে তবেই যুদ্ধ পুরোপুরি থামানোর কথাও জানিয়েছে আমেরিকা।
পাল্টা কিছু শর্ত রেখেছে ইরানও। তেহরানের তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকাকে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফিরিয়ে ইরানের উপর চাপানো যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এর পাশাপাশি যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ় প্রণালীর উপর নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বও দাবি করেছে ইরান।
শর্ত, পাল্টা শর্তের কারণে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আদৌ বোঝাপড়া হবে কি না, হলেও বা কবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।