২০২৬ সালের মিডটার্ম বা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘ইমপিচ’ করা হতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে! এমনটাই আশঙ্কা করছেন ট্রাম্প নিজেও। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, যদি ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে যায়, তা হলে যেনতেনপ্রকারেণ ট্রাম্পকে ইমপিচ করার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে উঠবে ডেমোক্র্যাটেরা। এ বিষয়ে নিজের দলের নেতাদের সতর্কও করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে হাউস রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আপনাদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিততেই হবে। কারণ, যদি আমরা না জিতি, তা হলে তারা (ডেমোক্র্যাট) আমাকে ইমপিচ করার নানা কারণ খুঁজে বার করবে।’’ অবশ্য, ট্রাম্পের দল যদি চলতি বছরের নভেম্বরে হতে চলা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে যায়, তা হলেও ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদ হারানোর কথা নয়। তবে মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে, যার সুবিধা নিশ্চিত ভাবেই পাবেন ডেমোক্র্যাটেরা। তা ছাড়া, কংগ্রেসের দখল যদি ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যায়, সে ক্ষেত্রে তাঁরা চাইলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়াও শুরু করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভ্স-এর ৪৩৫টি আসন এবং সেনেটের ১০০টি আসনের এক-তৃতীয়াংশ আসন দখলের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানদের। তবে সম্প্রতি ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের পর থেকে অনেকেই ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের দাবি তুলতে শুরু করেছেন। সোমবার মেরিল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা এপ্রিল ম্যাকক্লেইন ডেলানি ভেনেজ়ুয়েলায় ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা করে তাঁকে ‘অবিলম্বে ইমপিচ করার প্রক্রিয়া’ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। ক্যালিফর্নিয়া স্টেটের সেনেটর স্কট ওয়েনারও ভেনেজ়ুয়েলায় অবৈধ আক্রমণের নিন্দা করে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট দাবি করেছেন।