×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১২ মে ২০২১ ই-পেপার

করাচিতে আবার বিস্ফোরণ, মৃত ৩, আহত ১৬, অশান্ত হচ্ছে পাকিস্তান

সংবাদ সংস্থা
ইসলামাবাদ ২১ অক্টোবর ২০২০ ১৩:১৬
বিস্ফোরণের পর করাচির সেই এলাকা। বুধবার। ছবি- টুইটারের সৌজন্যে।

বিস্ফোরণের পর করাচির সেই এলাকা। বুধবার। ছবি- টুইটারের সৌজন্যে।

এক দিন পর করাচিতে আবার বিস্ফোরণ। এ বার শহরের গুলশন-ই-ইকবাল এলাকায় মাশকান চৌরঙ্গির কাছে, একটি বহুতলে। বুধবার সকালের ঘটনা। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩ জনের। জখমের সংখ্যা ১৬।

বিস্ফোরণ ঘটেছে বহুতলের তিন তলায়। তবে কী ভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটল সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নয় স্থানীয় প্রশাসন। অনুমান করা হচ্ছে সিলিন্ডার ফেটেই এই বিস্ফোরণ। তীব্রতা ছিল এতটাই যে আশপাশের বাড়ির জানলা, দরজার কাচ ভেঙে গিয়েছে। কাচ ভেঙেছে বহুতলের নীচে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িরও।

তবে পুলিশ জানিয়েছে বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াডকেও আনা হয়েছে ঘটনাস্থলে। কোনও শক্তিশালী বোমা এই বিস্ফোরণের কারণ কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ভরে গিয়েছে দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্সে। মৃত ও আহতদের সকলকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।

এক দিন আগেই করাচির শিরিন জিন্না কলোনির কাছে একটি বাস টার্মিনালে ঢোকার মুখে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ৫ জন গুরুতর জখম হন।

ও দিকে মেয়াদ ফুরনোর প্রায় আড়াই বছর আগেই প্রবল চাপে ইমরান খান ও তাঁর সরকার। বস্তুত ইমরানকে সরাতে রীতি মতো কোমর বেঁধেছে পাকিস্তানের ১১টি রাজনৈতিক দল। নওয়াজ়ের দল পিএমএল (এন) এবং বিলাবলের দল পিপিপি তো আছেই, তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ছোট-বড়-আঞ্চলিক মিলিয়ে আরও ৯টি দল। এঁরা সকলে জোট বেঁধে গড়েছেন পাকিস্তান ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (পিডিএম)। গত মাসেই জোটটি তৈরি হয়েছিল। এক-একটি শহরে কর্মসূচি করে তারা ইমরান সরকারকে আক্রমণ করে চলেছে।

আরও পড়ুন: পুজো-রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি নিয়ে হাইকোর্টে উদ্যোক্তারা

আরও পড়ুন: শহরের জঙ্গলে ফিরে আসুক দামা আর বসন্ত বউরি পাখিদের ডাক

দু’দিন আগেই লাহৌরের কাছে গুজরানওয়ালায় লক্ষাধিক মানুষ ভিড় করেছিলেন গদিচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ় শরিফের ভার্চুয়াল বক্তৃতা শুনবেন বলে। যেখানে ইমরান খানের সরকার আর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান কমর বাজওয়াকে তুলোধোনা করেছিলেন লন্ডনে চিকিৎসাধীন, আপাতত জামিনে মুক্ত শরিফ। তার পর ঠিক একই রকম ভিড় দেখল করাচির জিন্না স্টে়ডিয়াম। শরিফ-কন্যা মরিয়ম নওয়াজ় এবং আর এক প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী বেনজ়ির ভুট্টোর পুত্র বিলাবল যে সভার নেতৃত্ব দিলেন। তাঁদের বক্তৃতার ছত্রে ছত্রে বর্তমান সরকার ও তার প্রধানমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শুনে হাততালিতে ফেটে পড়া স্টেডিয়ামের মেজাজ ইমরানের কপালে ভাঁজ ফেলবে বলেই মনে করেছেন কূটনীতিকেরা।

Advertisement