কাবুল বিমানবন্দরের বিশৃঙ্খলার মধ্যেই হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে আইএস, এমনটাই দাবি করল আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে কাবুলে আটকে থাকা নাগরিকদের কী ভাবে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল বাইডেন প্রশাসন। আফগানিস্তানের রাজধানী শহরে আটকে থাকা আমেরিকানদের কোন বিকল্প পথে কাবুল বিমানবন্দরে আনা যায় কি না, তা নিয়ে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে, এমনটাই জানাল আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
আমেরিকার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দুই আধিকারিক জানান, হামিদ কারজাই বিমানবন্দরেই হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে আইএস। তেমনই হুমকি-বার্তা সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছনোর জন্য যে বিকল্প পথের খোঁজ চালানো হচ্ছে, ওই পথ দিয়ে আমেরিকা বা তৃতীয় কোনও দেশের নাগরিক ছাড়াও ‘অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত’ আফগানরা যাতায়াত করতে পারবেন, এমনটাই জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আরও পড়ুন:
কাবুল বিমানবন্দরে এখনও বহু দেশের নাগরিকেরা আটকে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আইএসের বিমানবন্দরে হামলা চালানোর হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তাঁদের মধ্যে। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে নিরাপত্তাজনিত কারণে আমেরিকার নাগরিকদের এখন বিমানবন্দরে আসতেও নিষেধ করা হয়েছে সে দেশের দূতাবাসের তরফে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৪ অগস্ট থেকে এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজার নাগরিককে আমেরিকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।