Advertisement
E-Paper

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে এ বার উত্তেজনার আঁচ পূর্বে! চিন সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর সিদ্ধান্ত জাপানের

সোমবার টোকিয়ো জানিয়েছে, সম্ভাব্য আগ্রাসনের মোকাবিলায় চিনের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মাঝারিপাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ০০:১৬
জাপান সরকারের প্রধান মুখপাত্র ও প্রধান সচিব মিনোরু কিহারা।

জাপান সরকারের প্রধান মুখপাত্র ও প্রধান সচিব মিনোরু কিহারা। ছবি সংগৃহীত।

ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সংঘাতের আবহে এ বার নতুন করে উত্তেজনার আঁচ তাইওয়ান প্রণালীতে। সম্ভাব্য চিনা হানাদারি ঠেকাতে এ বার তাইওয়ানের উপকূলের অদূরে ফের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা করল জাপান।

সোমবার টোকিয়ো জানিয়েছে, সম্ভাব্য আগ্রাসনের মোকাবিলায় চিনের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মাঝারিপাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে। এর আগে গত নভেম্বরে বেজিঙের হুমকির জেরে তাইওয়ান উপকূল থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইয়োনাগুনি দ্বীপে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু করেছিল জাপান। যা ঘিরে তৈরি হয়েছিল উত্তেজনা। সোমবার জাপান সরকারের প্রধান মুখপাত্র ও প্রধান সচিব মিনোরু কিহারা জানান, তাঁদের গ্রাউন্ড সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স কিউশু অঞ্চলের কুমামোতোতে টাইপ-১২ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার পরিকল্পনা করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় এক হাজার কিলোমিটার।

কিহারা বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অবহিত করবে।’’ প্রসঙ্গত, চিন-জাপানের টানাপড়েনের সূচনা গত ৭ নভেম্বর। জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সে দিন জানিয়েছিলেন, চিন যদি তাইওয়ান দখল করতে উদ্যোগী হয় তবে তাঁরা চুপ করে বসে থাকবেন না। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনে তাইওয়ানকে সামরিক সাহায্য করা হবে।’’ জাপানি প্রধানমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পরেই সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের হুমকি দিয়েছিল বেজিং। চিনা প্রতিরক্ষা দফতর বিবৃতিতে বলে, ‘‘তাইওয়ান পরিস্থিতি নিয়ে নাক গলানো বন্ধ না করলে ‘ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপের’ মুখে পড়বে জাপান।’’ তার এক দিন পরেই উপকূলরক্ষী বাহিনীর রণতরী ঘিরে ফেলেছিল জাপানের সেনকাকু দ্বীপ। যদিও পরে তারা সরে যায়। এই পরিস্থিতিতে সামরিক অবস্থানগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিউশু দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নতুন করে উত্তেজনাবৃদ্ধির অনুঘটক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Japan China Minoru Kihara
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy