পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে এক হিন্দু কৃষককে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। কৈলাস কোহলি নামে ২৫ বছরের ওই যুবক সমাজকর্মী হিসেবেও পরিচিত। তাঁকে হত্যার প্রতিবাদে পথে নামলেন স্থানীয়দের বড় অংশ। হাতে তাঁদের প্ল্যাকার্ড, ‘কৈলাসের হত্যার বিচার চাই’।
কৈলাসের মৃত্যুতে যে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার প্রতিলিপি হাতে পেয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ-১৮। তারা জানিয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি বাদিন জেলার পিরু লশরির গোথ দাহো এলাকায় নিহত হন ওই যুবক। এফআইআর অনুসারে, প্রকাশ্য দিবালোকে দু’জন কৈলাসের কাছে এসে তাঁর বুকে গুলি ছোড়েন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিন্ধের ওই এলাকায় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে লড়াই করতেন কৈলাস।
ওই যুবকের হত্যার পরে প্রতিবাদে শামিল হন বাদিন এলাকার মানুষজন। বিশেষত সংখ্যালঘুরা। অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে পথ অবরোধ করেন তাঁরা। সমাজমাধ্যমে ‘জাস্টিস ফর কৈলাস কোহল’ বলে প্রচারও শুরু হয়। এই ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য সরকারকে আর্জি জানান স্থানীয়েরা। তার পরেই সরব হয়েছেন পাকিস্তানের সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনের চেয়ারম্যান শিবা কাচ্চি। তিনি এই হত্যার নিন্দা করে বিচার চেয়েছেন। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, পাকিস্তানে প্রায়ই আক্রান্ত হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। তাঁদের সুরক্ষার দিকে নজর দিচ্ছে না প্রশাসন। হামলার পরেও সক্রিয় হতে দেখা যায় না পুলিশ বা প্রশাসনকে।