Advertisement
E-Paper

নেপালে ভেঙে পড়ল বিমান, মৃত্যু ২৩ জনের

ঘড়িতে তখন সকাল ৭টা ৪৭। পোখরা বিমানবন্দর থেকে দুই শিশু-সহ ২০ জন যাত্রী এবং তিন বিমানকর্মীকে নিয়ে জমসমের উদ্দেশে উড়ে যায় তারা এয়ারের ছোট বিমানটি। মাত্র কুড়ি মিনিটের সফর। কিন্তু ওড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে হারিয়ে যায় বিমানটি।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:০৩
স্বজন হারিয়ে। পোখরা বিমানবন্দরে বুধবার। ছবি: রয়টার্স।

স্বজন হারিয়ে। পোখরা বিমানবন্দরে বুধবার। ছবি: রয়টার্স।

ঘড়িতে তখন সকাল ৭টা ৪৭। পোখরা বিমানবন্দর থেকে দুই শিশু-সহ ২০ জন যাত্রী এবং তিন বিমানকর্মীকে নিয়ে জমসমের উদ্দেশে উড়ে যায় তারা এয়ারের ছোট বিমানটি। মাত্র কুড়ি মিনিটের সফর। কিন্তু ওড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে হারিয়ে যায় বিমানটি।

প্রাথমিক ভাবে খোঁজ না মিললেও প্রায় চার ঘণ্টা তল্লাশির পরে নেপালের ম্যাগদি জেলায় সলিঘোপ্তে জঙ্গলে মিলেছে ওই বিমানের ধ্বংসস্তূপ। আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল যাত্রীদের ক্ষতবিক্ষত দেহ। ভেঙে পড়ার পরে বিমানটিতে আগুন লেগে যায় বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। প্রথমে কাঠমান্ডু থেকে তারা এয়ারেরই তিনটি হেলিকপ্টার তল্লাশি অভিযানে নামে। পরে
যোগ দেয় নেপাল সেনা এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী।

পোখরা থেকে অন্নপূর্ণা শৃঙ্গ অভিযান শুরু করেন পর্বতারোহীরা। এ দিন ওই বিমানটিতে তিন বিমানকর্মী ছাড়া ছিলেন দুই শিশু-সহ নেপালের ১৮ জন নাগরিক, এক জন চিনা, এবং এক জন কুয়েতি নাগরিক। বেঁচে নেই কেউই। টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে বিমানটিও।

তারা এয়ারলাইন্সের তরফে ভীমরাজ রাই জানিয়েছেন, ‘‘বুধবার আবহাওয়া ঠিকঠাই ছিল। কী ভাবে বিমান ভেঙে পড়ল আমরা বুঝতে পারছি না।’’ বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটির দিকেও আঙুল তোলা যাচ্ছে না। কারণ বিমানচালক রোশন মানান্ধর পোখরা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে শেষ বার্তায় জানান, ‘বিমান একদম ঠিক আছে। সি ইউ ব্যাক। গুড ডে।’

তা হলে বিমানটি ভেঙে পড়ল কী ভাবে? নেপালের বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের আধিকারিকদের দাবি, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে হবে। বিমান যেখানে ভেঙে পড়েছে তার আশপাশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের মতো শব্দ শুনেছেন তাঁরা। তার পরে দেখা গিয়েছে আগুনের শিখা। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কম দৃশ্যমানতার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কারণ সোমবার রাত থেকে অন্নপূর্ণা শৃঙ্গের সাউথে বেসে ভূমি ধসের ফলে ধুলোর মেঘ তৈরি হয়েছিল। তাতে দৃশ্যমানতা খারাপ হতেই পারে। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই ম্যাগদি জেলায় বিমানের ধ্বংসস্তূপের আশপাশে অন্তত সাতটি গ্রাম ধুলোর চাদরে মোড়া ছিল। ১৯৪৯ থেকে বিমান এবং হেলিকপ্টার মিলিয়ে ৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনার সাক্ষী নেপাল। যাতে প্রাণ হারিয়েছেন সাতশোরও বেশি মানুষ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy