আফগানিস্তান নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে তালিবান। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবারই তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে পারেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সোমবারই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছে তালিবানের একটি প্রতিনিধি দল। এই দিনেই চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় বার আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সভাপতিত্বে বৈঠকে বসতে চলেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।
রবিবার দুপুরে তালিবান বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে কাবুল। পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি। আর তার পর থেকেই রাজধানী শহরের পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হতে শুরু করে। নাগরিকদের কাবুল থেকে ফিরিয়ে আনতে আরও তৎপর হয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া-সহ বহু দেশ। ওই দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকেছিল ব্রিটেন। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘ওখানকার কী পরিস্থিতি, তা জানার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই।’’ আফগানিস্তানে ব্রিটেন এবং ন্যাটো আবার সেনা পাঠানোর বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছে কি না, তা জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, ‘‘না, এখনও এই ব্যাপারে কোনও ভাবনা চিন্তা হয়নি। আপাতত আমরা সেনা পাঠাচ্ছি না।’’
আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানের পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে থাকায় এ বার বাহিনী পাঠিয়েই নাগরিকদের দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিল জার্মানি। স্থানীয় আফগান কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ করতে তৎপর হল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইতিমধ্যে সদস্য দেশগুলির সঙ্গে আলোচনাও শুরু হয়েছে এই বিষয় নিয়ে, জানিয়েছেন ব্লকের এগজিকিউটিভ কমিশনের এক আধিকারিক।