Advertisement
E-Paper

সময় কমছে, ফুরিয়ে যাচ্ছে অক্সিজেন, এখনও খোঁজ নেই টাইটানের, ক্ষীণ হচ্ছে পাঁচ যাত্রীর বাঁচার সম্ভাবনা

নিখোঁজ ডুবোজাহাজ উদ্ধারের কাজে নেমেছে আমেরিকা এবং কানাডার সেনা। উপকূলরক্ষী এবং বিমানবাহিনীর সঙ্গে তল্লাশিতে নেমেছে রোবটও। উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরে চলছে খোঁজ।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৩ ১৭:০৮
image of titan

নিখোঁজ ডুবোযান ‘টাইটান’ ছবি: সংগৃহীত।

দৌড়চ্ছে ঘড়ি। হাতে সময় সীমিত। এর মধ্যেই খুঁজে ফেলতে হবে সমুদ্রগর্ভে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে নিখোঁজ ডুবোযান ‘টাইটান’কে। সন্ধান চলছে জোরকদমে। উপকূলরক্ষীরা আশাবাদী হলেও বিশেষজ্ঞরা সন্দিগ্ধ। তাঁদের মতে, কাজটা সহজ নয়। আর মাত্র দু’ঘণ্টা শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার মতো অক্সিজেন মজুত রয়েছে ওই ডুবোযানে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সে ক্ষেত্রে গরম রাখার যন্ত্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। টাইটানের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণও আর সম্ভব হবে না। এ রকম পরিস্থিতিতে সওয়ার ৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

নিখোঁজ ডুবোজাহাজ উদ্ধারের কাজে নেমেছে আমেরিকা এবং কানাডার সেনা। উপকূলরক্ষী এবং বিমানবাহিনীর সঙ্গে তল্লাশিতে নেমেছে রোবটও। উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরে চলছে খোঁজ। ডুবোযানের শব্দ ধরার জন্য শব্দতরঙ্গ যন্ত্রও বসানো হয়েছে। সেই যন্ত্রে বিশেষ শব্দ ধরা পড়েছে। যদিও সেই শব্দ নিখোঁজ জলযান থেকেই আসছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই শব্দ ঠিক কি প্রকারের, তা-ও স্পষ্ট হয়নি। তবে এই শব্দ ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে বলে সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডুবোযানের যা প্রযুক্তি কৌশল, তাতে ৯৬ ঘণ্টা তার ভিতরে শ্বাস নেওয়ার অক্সিজেন মজুত ছিল। বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সওয়ারিরা সেখানে শ্বাস নিতে পারবেন। তার পর মাত্র ২২ ফুটের ওই ডুবোজাহাজে এক মিনিটও শ্বাস নেওয়া দুষ্কর। অতলান্তিকের গভীরে ঠান্ডাও চরম। ডুবোজাহাজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তা আর গরম হবে না। ফলে মৃত্যু অনিবার্য। সূত্রের খবর, টাইটানে খুব বেশি খাবারও মজুত করা ছিল না।

১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল মধ্যরাতে হিমশৈলে ধাক্কা মেরে উত্তর অতলান্তিকে ডুবে যায় সে সময়ের অন্যতম বিলাসবহুল যাত্রিবাহী জাহাজ টাইটানিক। মৃত্যু হয় ১৫০০-র বেশি মানুষের। তার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১১১ বছর। অতলান্তিক মহাসাগরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার নীচে এখনও রয়েছে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ। পর্যটকদের টাইটানে চাপিয়ে অতলান্তিকের অতলে টাইটানিকের সেই ধ্বংসাবশেষই দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল পর্যটন সংস্থা ওশানগেট। কিন্তু রবিবার থেকে নিখোঁজ সেই ডুবোযান।

সং‌বাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সাবমেরিনটিতে রয়েছেন ব্রিটেনের কোটিপতি ব্যবসায়ী হামিশ হার্ডিং, পাকিস্তানের ব্যবসায়ী শাহজ়াদা দাউদ এবং তাঁর পুত্র সুলেমান, ওশানগেট সংস্থার মুখ্য আধিকারিক স্টকটন রাশ এবং ফরাসি নাবিক পল হেনরি নারজিওলেট।

Titan Titanic
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy