বাংলাদেশে যারা একের পর এক গুপ্তহত্যার ঘটনায় জড়িত, তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ‘খুঁজে’ বের করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হাসিনা বলেছেন, “এদের আমরা খুঁজে-খুঁজে বের করব। বাংলাদেশে ওরা যাবেটা কোথায়? কেউই পার পাবে না। ভূখণ্ডের দিক দিয়ে বাংলাদেশ বেশ ছোট। এখানে সবাই সবাইকে চিনতে পারে বা জানতে পারে। এগুলো খুঁজে বের করা খুব কঠিন কাজ না। শাস্তি তারা পাবেই।”
শনিবার আওয়ামি লিগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ কথা বলেন সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, “সরকার যদি প্রকাশ্যে হত্যা বন্ধ করতে পারে, তা হলে এই গুপ্তহত্যাও আমরা বন্ধ করতে পারব। এটা শুধুই সময়ের ব্যাপার।”
আরও পড়ুন- বাংলাদেশে সন্ত্রাস-ষড়যন্ত্র! সমস্যাটা একা বাংলাদেশের নয়।
গত এক বছরে লেখক, প্রকাশক, ব্লগারদের হত্যার ঘটনার পাশাপাশি বিদেশি, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষুকের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বাংলাদেশে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী খুন হন।
বাংলাদেশে একের পর এক হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমও। কেউ কেউ বলেছেন আইএস ও আল কায়দার মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো ওই সব ঘটনায় জড়িত। যদিও হাসিনা সরকার তা কখনওই সরকারি ভাবে স্বীকার করেনি।
ওই সব হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করার কথা বলেন এ দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
হাসিনার কথায়, “এদের সূত্রটা কী? কোথা থেকে টাকা আসছে? কাদের মদতে তারা এ সব করছে? সেই সূত্রগুলোও আমরা খুঁজে বের করব। তার কিছু কিছু সূত্র আছে। আমরা পাচ্ছি। এক সময় সবটাই বেরিয়ে আসবে। দেশি-বিদেশি যারাই এর পেছনে থাক, বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। যারা উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, তাদের কোনও ক্ষমা নেই। এই বাংলাদেশে কোনও রকমের জঙ্গি কার্যকলাপ বা সন্ত্রাসবাদ বরদাস্ত করা হবে না।’’