চোখ ছলছল দশ বছরের বাতুল ফতিমার। ওর সহপাঠীদেরও মন ভাল নেই। কারণ, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাকিস্তান ছাড়তে হবে বাতুলকে। সম্প্রতি এমনটাই ফরমান জারি করেছে ইসলামাবাদ। যাতে বলা হয়েছে, ২০ নভেম্বরের মধ্যেই নিজের দেশে যেতে হবে ৪৫০ জন তুর্কি শিক্ষক-শিক্ষিকাকে। সপরিবার!
পাক প্রশাসনের দাবি, তুরস্ক সরকারের ‘অনুরোধেই’ তাদের এই সিদ্ধান্ত। জুলাইয়ের সেনা অভ্যুত্থানের ভূত এখনও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তুর্কি প্রেসি়ডেন্ট এরদোগানকে। অভ্যুত্থান বিফল হলেও, তার পিছনে ধর্মগুরু ফেতুল্লাহ গুলেনকেই আগোগো়ড়া দায়ী করে এসেছেন এরদোগান। প্রশাসনের সন্দেহ, সেই গুলেনের সঙ্গে এখনও যোগসাজশ রয়েছে পাক-তুর্কিদের। শিক্ষকেরা সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেও খারিজ হয়েছে আর্জি। তাড়া খেয়ে তাই দেশে ফেরাটাই আজ নিয়তির মতো তাঁদের।