Advertisement
E-Paper

ইউনূস ছাড়লে যমুনাতেই উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক! তাঁর মন্ত্রীদের জন্যও বরাদ্দ হয়েছে বাসভবন

যমুনার পাশের ২৪ এবং ২৫ নম্বর— এই দু’টি বাংলোয় এখন প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার কাজে নিযুক্ত বাহিনীর শীর্ষকর্তারা থাকেন। ইউনূস যমুনা থেকে চলে গেলে ওই দু’টি বাংলো নতুন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিযুক্ত বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের জন্য বরাদ্দ করা হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪১
তারেক রহমান।

তারেক রহমান। — ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের পূর্বতন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস ছেড়ে গেলে সরকারি অতিথিনিবাস যমুনাতেই থাকবেন সে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমনটাই জানিয়েছে প্রথম আলো। সূত্রের খবর, ২৭ ফেব্রুয়ারি যমুনা ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ইউনূসের। তার পরে কিছু সংস্কারের কাজের পরে সেখানে থাকতে শুরু করবেন তারেক। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি সেখানে ইদ উদ্‌যাপনের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন বলে খবর। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভবনে থাকতেন, সেখানে প্রদর্শনশালা তৈরি হচ্ছে।

পূর্ত অধিদফতরের প্রধান মহম্মদ খালেকুজ্জামান চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, যমুনায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারেক। ইউনূস সেই বাসভবন ছেড়ে চলে গেলে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তার পরে সেখানে উঠবেন তারেক। নিরাপত্তা এবং সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার জন্য যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এখন তারেক গুলশানে নিজের বাড়িতে রয়েছেন। সেখান থেকেই রোজ সচিবালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন। আরও খবর, নতুন মন্ত্রীদের বাসভবন বরাদ্দ করার কাজও বুধবার শেষ হয়েছে।

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, সেই নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আলোচনা হয়েছিল। গৃহ এবং পূর্ত মন্ত্রক কমিটিও গঠন করেছিল। জাতীয় সংসদভবন এবং শেরেবাংলা নগর এলাকায় বাসভবন করা যায় কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা বাতিল করা হয়। কমিটি এর পরে সুপারিশ করে জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করা যেতে। শেষ পর্যন্ত সেখানেই থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারেক।

ঢাকার ৩০ হেয়ার রোডে সোয়া তিন একর (প্রায় ২০০ কাঠা) জমিতে তৈরি হয়েছে যমুনা। পূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যমুনার পাশের ২৪ এবং ২৫ নম্বর— এই দু’টি বাংলোয় এখন প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার কাজে নিযুক্ত বাহিনীর শীর্ষকর্তারা থাকেন। ইউনূস যমুনা থেকে চলে গেলে ওই দু’টি বাংলো নতুন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিযুক্ত বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের জন্য বরাদ্দ করা হবে।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের শাসনকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতেন গণভবনে। তিনি ক্ষমতাচ্যুত হলে সেই গণভবনে ঢুকে ভাঙচুর করেন লোকজন। এর পর গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নেয় পূর্বতন অন্তর্বর্তী সরকার। এখন সেখানে নির্মাণের কাজ চলছে। তাই সেখানে থাকা সম্ভব নয় তারেকের।

ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারাও সেখানেই থাকা শুরু করেন। নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরে একে একে সেই বাড়ি ছাড়ছেন প্রাক্তন উপদেষ্টারা। সেখানেই নতুন মন্ত্রীদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে বলে খবর। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান ইউনূস সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি মিন্টো রোডের যে ৩৩ নম্বর বাংলোয় রয়েছেন, সেখানেই থেকে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সরকারি আবাসন দফতর।

Tarique Rahman Bangladesh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy