Tiktok: ‘দিবাস্বপ্ন’ দেখতে ৩১ হাজার কোটি টাকায় কাজ থেকে অবসর নিলেন ইনি
২০০৬ থেকে ২০২১— মাত্র ১৫ বছরেই কর্মজীবনে ইতি টেনে অন্য পথে হাঁটতে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলেন টিকটকের মালিক।
২০০৬ থেকে ২০২১— মাত্র ১৫ বছরেই কর্মজীবনে ইতি টেনে অন্য পথে হাঁটতে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলেন টিকটকের মালিক।
তিনি ঝ্যাং ইমিং। বই পড়তে আর ‘দিবাস্বপ্ন দেখার জন্য’ই নাকি অবসর নিলেন এই বিলিয়নিয়র।
ঝ্যাংয়ের জন্ম ১৯৮৩ সালে ১০ এপ্রিল। ২০০৫ সালে তিয়ানজিংয়ের নানকাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হন তিনি।
এর পরের বছরই একটি পর্যটন সংস্থার ওয়েবসাইট তৈরির কাজে নিযুক্ত হন। ১ বছরের মধ্যেই পদোন্নতি হয় তাঁর।
২০০৮ সালে মাইক্রোসফটের সঙ্গে কাজে যোগ দেন তিনি। এই কাজ তাঁর বেশি দিন ভাল লাগেনি। মাইক্রোসফট ছেড়ে ২০০৯ সালে তিনি নিজেই এক সংস্থা তৈরি করেন।
আরও পড়ুন:
তার পর ২০১২ সালে গড়ে তোলেন বাইটডান্স। ২০১৫ সালে বাইটডান্স তার প্রথম ভিডিয়ো শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক তৈরি করে।
বিশ্ব জুড়ে অসম্ভব সাফল্য পায় টিকটক। ঝ্যাংও জায়গা করে নেন ২০১৯-এর প্রথম ১০০ প্রভাবশালীর মধ্যে। চিনের নবম বিত্তবান তিনি।
সারা বিশ্বকে অবাক করে ফের এক বার শিরোনাম নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি টিকটক ছাড়লেন ৩৮ বছরের ঝ্যাং। প্রধান সংস্থা বাইটডান্সের সিইও থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তাঁর পরিবর্তে সিইও হতে চলেছেন রুডো লিয়াং। কর্মচারীদের একটি চিঠি লিখে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন তিনি।
ঝ্যাং জানিয়েছেন, এই কাজ তাঁর আর ভাল লাগছে না। তাঁর মধ্যে আদর্শ ম্যানেজার হওয়ার গুণাগুণও নেই। তিনি এখন বই পড়ে এবং দিবাস্বপ্ন দেখে বাকি জীবনটা কাটাতে চান।
মাত্র ৩৮ বছরেই কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়ে নিলেন ঝ্যাং। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণ সঞ্চয়ের বিনিময়েই তিনি ব্যাটন ধরিয়ে দিলেন রুডোকে।