Advertisement
E-Paper

এপস্টিন-কাণ্ডের জেরে টলমল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর গদি! ঘনিষ্ঠ নেতা পদত্যাগ করতেই ঘরে-বাইরে চাপের মুখে স্টার্মার

কেবল বিরোধী দলগুলি নয়, ব্রিটেনের শাসকদল লেবার পার্টির অন্দর থেকেও স্টার্মারের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ব্লুমবার্গ’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, স্টার্মার এখনও পদত্যাগ না-করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন লেবার পার্টির সাংসদেরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২৯
কিয়ের স্টার্মার।

কিয়ের স্টার্মার। —ফাইল চিত্র।

ব্রিটেনে এপস্টিন-কাণ্ডের আঁচ। গদি হারাতে পারেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ পিটার ম্যান্ডেলসনকে আমেরিকায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে হিসাবে নিয়োগ করা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। সম্প্রতি এই নিয়োগের সম্পূর্ণ দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিফ অফ স্টাফ মর্গ্যান ম্যাকসুইনে। তার পরেই স্টার্মারের পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

কেবল বিরোধী দলগুলি নয়, ব্রিটেনের শাসকদল লেবার পার্টির অন্দর থেকেও স্টার্মারের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ব্লুমবার্গ’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, স্টার্মার এখনও পদত্যাগ না-করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন লেবার পার্টির সাংসদেরা। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ-ও বলা হয়েছে যে, স্টার্মার পদত্যাগ না-করলে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের কয়েক জন কর্মচারী ইস্তফা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ম্যান্ডেলসনকে আমেরিকায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসাবে পাঠানো হয়। এপস্টিন ফাইলে তাঁর নাম প্রকাশ পেতেই ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার পরেও অবশ্য বিতর্ক থামেনি। ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ করার সমস্ত দায় নিয়ে সম্প্রতি পদত্যাগ করেন স্টার্মার-ঘনিষ্ঠ ম্যাকসুইনে। ইস্তফাপত্রে তিনি লেখেন, “পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। এতে আমাদের দলের (লেবার পার্টি), দেশের ক্ষতি হয়েছে।” ম্যান্ডলসনকে রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ করার পরামর্শ স্টার্মারকে তিনিই দিয়েছিলেন বলে জানান ম্যাকসুইনে।

ম্যাকসুইনে পদত্যাগ করার পরেই তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন স্টার্মার। ২০২৪ সালে ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল জয়ের নেপথ্যে ম্যাকসুইনের অবদানের কথা স্বীকার করেন তিনি। লেবার পার্টির অন্দরের খবর, প্রশাসনিক নানা বিষয়ে ম্যাকসুইনের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল ছিলেন স্টার্মার। তাই তাঁর পদত্যাগ আদতে দল এবং সরকারে স্টার্মারের অবস্থানই নড়বড়ে করে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের আমলে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন ম্যান্ডেলসন। সেই সময় ব্রিটেনের বেশ কিছু স্পর্শকাতর তথ্য তিনি এপস্টিনের কাছে ফাঁস করে দেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ব্রিটেনের বিরোধী দলগুলির প্রশ্ন, এমন এক জন ব্যক্তিকে আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত করে পাঠানোর আগে কেন যথাযথ খোঁজখবর নেওয়া হল না? কেন স্টার্মার এর দায় নেবেন না?

Britain Keir Starmer Jeffrey Epstein Epstein Files resignation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy