Advertisement
E-Paper

অজুহাত খুঁজছিল আমেরিকা, আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই! ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হতেই হুঙ্কার ইরানের

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা ফার্স প্রশাসনিক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখতেই এই আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছিল আমেরিকা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১২
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। ছবি: রয়টার্স।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। ছবি: রয়টার্স।

কী ভাবে এই বৈঠক থেকে পালাবে, তার অজুহাত খুঁজছিল আমেরিকা। তাই ইরানের ঘাড়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার দায় ঠেলে দিয়ে দাবি করতে শুরু করেছে, ইরান নাকি আলোচনা চায় না। এটা যে ওদের বাহানা ছিল, তা স্পষ্ট। আমেরিকার বিরুদ্ধে এ ভাবেই সুর চড়াল ইরান।

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা ফার্স প্রশাসনিক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখতেই এই আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছিল আমেরিকা। এটা শুধু দেখানোর জন্যই। তবে তেহরান যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আর আলোচনার রাস্তায় যাবে না, সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানের প্রশাসনিক নেতৃত্ব। ফলে আমেরিকা-ইরানের মধ্যে শান্তিবৈঠক নিয়ে যে আশার পারদ চড়ছিল, তা থমকে গিয়েছে। টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকে কোনও সমাধানসূত্র বার না হওয়ায় আবার উদ্বেগ বাড়ছে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে।

ফার্স নিউজ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকা নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটতে চাইছে না। প্রশাসনিক ওই সূত্রে দাবি, আলোচনার টেবিলে শুধু একের পর এক শর্ত আরোপ করা ছাড়া আর কোনও কথাই বলেনি আমেরিকা, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব ছিল না। আর এটা খুব ভাল ভাবেই জানত আমেরিকা। শুধু অজুহাত খুঁজছিল যাতে এই আলোচনার ব্যর্থতার দায় পুরোটাই ইরানের ঘাড়ে ঠেলা যায়।

Advertisement

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের দাবি, বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দু’দেশই সম্মত হয়েছিল। কিন্তু দু’টি বিষয়েই বৈঠকে মতপার্থক্য তৈরি হয়। আর সে কারণেই আলোচনা আর এগোয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের আরও দাবি, পুরো বৈঠকই একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণের মধ্যে হয়েছে। তাই শুধু একটি বৈঠক থেকেই সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে, এটা আশা করা ঠিক নয়। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও রকম আপস করা হবে না। পাশাপাশি এটাও দাবি করেছেন যে, পশ্চিম এশিয়ায় যাতে শান্তির পরিবেশ ফিরে আসে তার জন্য পাকিস্তান এবং ওই অঞ্চলের বাকি বন্ধু রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে।

Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy