E-Paper

উচ্চমাধ্যমিকের পর সঠিক কলেজ নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? জেনে নিন

‘টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ’-এর প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (প্রতিষ্ঠিত: ১৯৯৮) হিসেবে ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১৬:২৬
‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’

‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’

একটি কলেজ কি শুধুই চার বছরের একটি পাঠ্যক্রম? নাকি সেটাই এমন এক অধ্যায়, যেখানে একজন কিশোর ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী যুবকে পরিণত হয়, যেখানে পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে জীবনকে নতুনভাবে চিনতে শেখে, যেখানে একটি স্বপ্ন ধীরে ধীরে পেশায় রূপ নেয়, আর একটি সম্ভাবনা পরিণত হয় সাফল্যের গল্পে?

উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর প্রতি বছর হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবার এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়ান। নম্বরের হিসাব, কাউন্সেলিং, পছন্দের বিষয়, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা সব মিলিয়ে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সামনে উপস্থিত হয় একটি পরিবার। কারণ কলেজ নির্বাচন মানে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া নয়, এটি আগামী এক দশকের জীবন, কর্মজীবন এবং ব্যক্তিত্ব গঠনের ভিত্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত।

এই পরিবর্তনশীল সময়ে প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন চিকিৎসা, কৃষি, ব্যাংকিং থেকে মহাকাশ গবেষণা, সব ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে। ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি এবং ইন্টারনেট অব থিংস-এর মতো প্রযুক্তিও এখন আর ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এগুলো আজকের বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা।

তাই আজকের একজন শিক্ষার্থীর কাছে প্রশ্ন শুধু, “কোন বিভাগে পড়ব?” নয়; বরং, “কোথায় পড়লে আগামী দিনের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জের জন্য নিজেকে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা যাবে?” হওয়া উচিত।

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে যে কয়েকটি প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বারবার উঠে আসে, তাদের মধ্যে অন্যতম ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ (এনএসইসি)।

‘টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ’-এর প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (প্রতিষ্ঠিত: ১৯৯৮) হিসেবে ‘এনএসইসি’ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। কলেজটি ‘এআইসিটিই’ অনুমোদিত, ‘ম্যাকাউট’-এর অধিভুক্ত ও এর একাধিক বিভাগ ‘এনবিএ’ স্বীকৃত। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি ‘এনএএসি’-এর স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এছাড়া, অতীতে ‘এনআইআরএফ’ ও ‘এআরআইআইএ’-র স্বীকৃতিও পেয়েছে।

কলকাতার দক্ষিণ প্রান্তে গড়িয়ার টেকনো সিটিতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি গত প্রায় তিন দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গের প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কলেজটির লক্ষ্য ছিল শুধু ভাল ফল করা ছাত্রছাত্রী তৈরি করা নয়, বরং এমন দক্ষ পেশাজীবী গড়ে তোলা, যারা পরিবর্তনশীল বিশ্বের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত পরিচয় তার পরিবেশেই ফুটে ওঠে। ক্যাম্পাসে ঢুকলেই দেখা যায় ল্যাবরেটরিতে গবেষণার কাজ, ক্লাসরুমে প্রাণবন্ত আলোচনা, আর প্রযুক্তি ক্লাবের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রকল্প ও হ্যাকাথনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কোথাও রোবোটিক্স নিয়ে কাজ চলছে, কোথাও কোডিং প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি, আবার কোথাও নতুন স্টার্টআপের ধারণা নিয়ে চলছে পরিকল্পনা।

এই পরিবেশ শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং শেখায় কী ভাবে প্রশ্ন করতে হয়, নতুনভাবে ভাবতে হয় ও বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে হয়। এখানেই শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় আটকে থাকে না, বাস্তব জীবনের দক্ষতায় রূপ নেয়।

বর্তমান শিল্পক্ষেত্রের চাহিদার কথা মাথায় রেখে কলেজে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একাধিক কোর্স চালু রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এআই এবং ডিএস, সিএসবিএস, ডেটা সায়েন্স, সাইবার সিকিউরিটি, আইওটি, সিএস ও আইটি, ই ও সিই, অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রনিক্স ও ইনস্ট্রুমেন্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।

এছাড়াও বিবিএ, বিসিএ, পাঁচ বছরের ইন্টিগ্রেটেড এমবিএ, এমসিএ, এম.টেক ও ডিপ্লোমা কোর্সও পরিচালিত হয়। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের আগ্রহ অনুযায়ী নিজেদের জন্য উপযুক্ত কোর্স বেছে নেওয়ার সুযোগ পান।

শুধু পাঠ্যক্রমেই নয়, বাস্তবভিত্তিক প্রকল্প, গবেষণা, আধুনিক ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা ও শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এতে তাঁদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস, দুটোই আরও বাড়ে।

তবে প্রযুক্তি শিক্ষা শুধু বই বা প্রযুক্তিগত জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন ভাল প্রকৌশলীর প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণ, নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা ও নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাও থাকা জরুরি।

এই কারণেই ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’-এ প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব বিকাশের ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপনার কৌশল, নেতৃত্বের গুণ, পেশাগত মূল্যবোধ এবং দলগতভাবে কাজ করার মতো বিষয়েও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

কলেজটির অন্যতম বড় শক্তি হল এর ট্রেনিং ও প্লেসমেন্ট সেল। দেশের এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বহু তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদন, পরামর্শদাতা ও মূল ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা নিয়মিত ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টে অংশগ্রহণ করে।

শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে কলেজের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও শিক্ষার্থীদের বড় সুবিধা দেয়। নিয়মিত শিল্প বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, ইন্টার্নশিপ, কর্মজীবন বিষয়ক পরামর্শ, দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ, মক ইন্টারভিউ এবং ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। ফলে কলেজ থেকে বেরিয়ে তাঁরা শুধু একটি ডিগ্রি নয়, কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসও অর্জন করেন।

তবে একটি ভাল কলেজের পরিচয় শুধু ভাল প্লেসমেন্টে নয়, তার শিক্ষার পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধেও। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে অনুপ্রাণিত এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস করে, প্রযুক্তির প্রকৃত সাফল্য তখনই, যখন তা সমাজের কাজে লাগে।

তাই পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয় সেবা কর্মসূচি, সামাজিক উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা, রক্তদান শিবির, গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ, প্রযুক্তি প্রদর্শনী ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহ দেওয়া হয়। এর ফলে তাঁদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণ এবং দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে ওঠে।

এই কারণেই ‘এনএসইসি’-তে পড়াশোনা শুধু একটি সেমেস্টার শেষ করে পরের সেমেস্টারে যাওয়া নয়। এখানে প্রতিটি দিন নতুন কিছু শেখার, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং নিজের দক্ষতা আরও উন্নত করার সুযোগ এনে দেয়।

আজকের বিশ্বে প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। যে দক্ষতার চাহিদা আজ রয়েছে, কয়েক বছর পর তার চাহিদা ও ধরন বদলে যেতে পারে। তাই এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা জরুরি, যেখানে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, নতুন বিষয় শেখার অভ্যাসও গড়ে তোলা হয়। এই শিক্ষাই ভবিষ্যতের জন্য একজন শিক্ষার্থীকে প্রস্তুত করে।

উচ্চমাধ্যমিকের পর কলেজ নির্বাচন জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তাই শুধু নম্বরের ভিত্তিতে নয়, কলেজের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা, গবেষণার সুযোগ, শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যোগাযোগ, ছাত্রজীবনের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ, সব দিকই বিবেচনা করা উচিত। কারণ একটি ভাল কলেজ শুধু একটি ডিগ্রি বা চাকরির সুযোগ দেয় না, এটি একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাভাবনা, দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রযুক্তি যখন ভবিষ্যতের চালিকাশক্তি, তখন সেই প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার দক্ষতাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর সেই পথচলায় একটি আধুনিক, গবেষণাভিত্তিক, শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ও মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

২০২৬-২৭-এর শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়ে যারা প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চায়, তাদের জন্য ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ একটি নির্ভরযোগ্য পছন্দ। এটি শুধু একটি কলেজ নয়, বরং নতুন সুযোগ, উন্নত শিক্ষা ও সফল কর্মজীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।

বিস্তারিত জানতে ফোন করুনঃ 98318 17307

অ্যাডমিশনের জন্য নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ

www.nsec.ac.in

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

engineering college Techno India Group WB Education

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy