উচ্চ মাধ্যমিকের পর ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ার পরিকল্পনা করছেন? এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজছেন যেখানে আধুনিক শিক্ষা, ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, বিদেশে শেখার সুযোগ এবং ভাল প্লেসমেন্ট, সবকিছু একসঙ্গে পাওয়া যায়? ‘লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি’ (এলপিইউ) আপনাকে সেই সুযোগই করে দিচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী তৈরি বি.টেক কোর্স, বিদেশে শেখার সুযোগ, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা এবং দারুণ প্লেসমেন্টের কারণে ‘এলপিইউ’ আজ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি ‘এলপিইউ’-এর এক ছাত্র বছরে ২.৫ কোটি টাকার আন্তর্জাতিক চাকরির অফার পেয়েছেন, যা ভারতের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের পাওয়া অন্যতম সর্বোচ্চ প্লেসমেন্ট। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্বজুড়ে বড় সুযোগের দরজা খুলে যায়।
পড়াশোনার পাশাপাশি কী ভাবে লাইভ প্রজেক্ট, ইন্টার্নশিপ ও স্টার্টআপের মাধ্যমে ‘এলপিইউ’-এর ছাত্রছাত্রীরা আয় করছেন, তা জানতে ভিডিওটি দেখুন।
এই বছরের প্লেসমেন্টে ২,২২৫টিরও বেশি সংস্থা অংশ নিয়েছে এবং ৬,০০০-এর বেশি চাকরির অফার দিয়েছে। ‘অ্যামাজ়ন’, ‘মাইক্রোসফট’, ‘গুগল’, ‘সার্ভিসনাও’, ‘ইন্টেল’, ‘আইবিএম’, ‘সিসকো’, ‘স্যাপ ল্যাবস’, ‘পালো আল্টো নেটওয়ার্কস’ ও ‘অটোডেস্ক’-এর মতো নামী সংস্থাগুলি ‘এলপিইউ’-এর ছাত্রছাত্রীদের নিয়োগ করেছে। কম্পিউটার সায়েন্স, রোবোটিক্স, ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্যাল ও এরোস্পেসসহ বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ভাল চাকরির সুযোগ পেয়েছেন। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবারসিকিউরিটি, রোবোটিকস, সেমিকন্ডাক্টর ডিজ়াইন এবং ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মতো নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
‘এলপিইউ’-এর এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী তৈরি শিক্ষা ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫০টিরও বেশি বিশেষ বি.টেক কোর্স রয়েছে, যা ‘গুগল ক্লাউড’, ‘আইবিএম’, ‘ইন্টেল’, ‘কম্পটিআইএ’, ‘সেবিয়া’, ‘কোয়ান্টিফি’, ‘পেটিএম’ এবং ‘গিক্সফরগিক্স’-এর মতো নামী সংস্থার সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছে।
‘এলপিইউ’-এর বিশেষ উদ্যোগগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘গ্লোবাল টেক ইমার্সন প্রোগ্রাম’। বি.টেক সিএসই, এআই ও সিস্টেম ডিজ়াইন-এর ছাত্রছাত্রীরা এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, পুনে, দিল্লি-এনসিআর এবং দুবাইয়ের মতো শহরে গিয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।
এছাড়া ‘এলপিইউ’-এর ৮০টিরও বেশি দেশের ৫০০-এর বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব রয়েছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেমিস্টার এক্সচেঞ্জ, ক্রেডিট ট্রান্সফার ও গবেষণার সুযোগ পেয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।
‘এলপিইউ’ এনএএসি-এর এ++ স্বীকৃতি পেয়েছে। ‘এনআইআরএফ ২০২৫’ অনুযায়ী, এটি ভারতের সেরা ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সেরা ৪৮টির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া ‘টাইমস হাইয়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৬’-এও ‘এলপিইউ’ বিশ্বের অন্যতম স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা পেয়েছে।
ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য ‘এলপিইউ’ চালু করেছে ‘আর্ন ইওর ফী ব্যাক’ উদ্যোগ। এতে তারা লাইভ প্রজেক্ট, হ্যাকাথন ও ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন কাজে অংশ নিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার সুযোগ পান। ফলে অনেক ছাত্রছাত্রী ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের পড়াশোনার খরচের একটি বড় অংশ তুলে নিতে পারেন।
‘এলপিইউ’-এর ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে ভাল প্লেসমেন্ট, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং বিদেশে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন, তা জানতে ভিডিওটি দেখুন।
২০২৬ সালের ভর্তি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই চলছে। আসন সংখ্যা সীমিত, তাই সঠিক সময়ে আবেদন করে নিজের ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিন। পরীক্ষা ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুন এখানে।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।