E-Paper

এআই-চালিত ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করছে ম্যানেজমেন্ট পাঠ্যক্রম

‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’ মনে করে ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা শুধুমাত্র চাকরি পাওয়ার জন্যই প্রয়োজন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন দক্ষতা তৈরি করা দরকার যা এআই-চালিত কর্মক্ষেত্রেও কাজে লাগবে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১৩:৪৪
‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’

‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’

বর্তমান সময়ে একটি উপযুক্ত বিজ়নেস স্কুল বেছে নেওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ছাত্র-ছাত্রীদের মনে অনেক প্রশ্ন চলতে থাকে, যেমন এই কোর্স কি ভাল চাকরি পেতে সাহায্য করবে? এআই-ভিত্তিক শিক্ষা কি ভবিষ্যতে কাজে লাগবে? আমি কি ব্যক্তিগতভাবে উন্নতি করতে পারব?

‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’ এই ভাবনাগুলির কথা মাথায় রেখে তাদের প্রোগ্রাম তৈরি করেছে। এই প্রতিষ্ঠান মনে করে ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা শুধুমাত্র চাকরি পাওয়ার জন্যই প্রয়োজন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন দক্ষতা তৈরি করা দরকার যা এআই-চালিত কর্মক্ষেত্রেও কাজে লাগবে।

‘প্র্যাক্সিস’ পিজিডিএম প্রোগ্রাম, যা ভবিষ্যতের এআই-নির্ভর বিশ্বের জন্য তৈরি করা হয়েছে

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য, ‘প্র্যাক্সিস’ কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার উপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়। এই প্রতিষ্ঠানের ২ বছরের পিজিডিএম প্রোগ্রাম AICTE অনুমোদিত, NBA অ্যাক্রেডিটেড এবং AIU সার্টিফায়েড।

‘প্র্যাক্সিস’ দীর্ঘদিন ধরে টেকনোলজি ও ম্যানেজমেন্টের উপর কাজ করছে, বিশেষ করে বিজ়নেস অ্যানালিটিক্স, জেনারেটিভ এআই এবং ফাইন্যান্সিয়াল রিস্ক ম্যানেজমেন্টে। এখানে মার্কেটিং, ফাইন্যান্স, অপারেশনস এবং হিউম্যান রিসোর্সের মতো বিষয়েও কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্য নির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ছাত্রছাত্রীরা ছোট ছোট সার্টিফিকেট কোর্সও করতে পারে, যা তাদের চাকরি এবং ইন্টার্নশিপে সাহায্য করে।

এখানে শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বরং চিন্তা করার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধান, যোগাযোগ দক্ষতা এবং ডিজিটাল ক্ষেত্রে দক্ষতা শেখান হয়।

ক্লাসরুমে কী ভাবে শেখানো হয়?

‘প্র্যাক্সিস’-এর ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীরা শুধু শোনে না, বরং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং বিশেষজ্ঞরা কেস স্টাডি, প্রজেক্ট এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে শেখান। শিক্ষার্থীরা বাস্তব সমস্যার সমাধান করে এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয় বোঝে।

তারা জেনএআই-কে একটি সহায়ক টুল হিসেবে ব্যবহার করতেও শেখে এবং তা কখন, কী ভাবে এবং কতটা দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হবে তা বোঝে।

তথ্য বোঝার ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নিজেদের চিন্তাভাবনা পরিষ্কারভাবে বোঝানোর ক্ষমতার ওপর ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং তারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারে ও সমস্যা সমাধান করতে পারে।

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সংযোগ

ছাত্রছাত্রীরা বাস্তব কোম্পানির প্রজেক্টে কাজ করে। পেশাদারদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জগতের অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এটি তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে যেমন সাহায্য করে, ঠিক তেমনই তারা বুঝতে পারে কোনও প্রতিষ্ঠান কী ভাবে কাজ করে।

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সংযোগ তাদের পাঠ্যক্রমে সাহায্য করে এবং ইন্টার্নশিপ ও প্লেসমেন্টেও সহায়তা করে।

স্কলারশিপের সুবিধা

‘প্র্যাক্সিস’ মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্কলারশিপ দেয়—

  • ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ: মেধাবী ছাত্রদের জন্য ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ
  • উইমেন ইন লিডারশিপ স্কলারশিপ: মেয়েদের জন্য ১ লাখ টাকা স্কলারশিপ
  • যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য ৭.৮ লাখ টাকা পর্যন্ত ফি ছাড়

ক্যাম্পাস অভিজ্ঞতা

‘প্র্যাক্সিস’ বিশ্বাস করে যে একজন শিক্ষার্থীর উন্নতি শুধু ক্লাসরুমের ভেতরে নয়, বাইরেও হয়।

কলকাতায় অবস্থিত ‘প্র্যাক্সিস’ ক্যাম্পাস আধুনিক সুবিধা এবং পরিবেশবান্ধব নকশা নিয়ে তৈরি। এখানে স্মার্ট ক্লাসরুম, ডিজিটাল লাইব্রেরি এবং হাই-স্পিড ওয়াই-ফাই আছে, যা তাদের পড়াশোনায় সাহায্য করে। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একশয্যার হোস্টেলের ঘর, চিকিৎসা, ফিটনেস এবং বিনোদনের সুবিধাও রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের আরামদায়ক পরিবেশ দেয়।

শিক্ষার্থীরা ফিনান্স, মার্কেটিং, এইচআর, অ্যানালিটিক্স এবং এন্টারপ্রেনারশিপ ক্লাবে অংশ নেয়। তারা ডিবেট, কুইজ এবং সামাজিক কাজেও যুক্ত থাকে। ম্যানেজমেন্ট, সাংস্কৃতিক এবং খেলাধূলা সম্পর্কিত কর্মসূচী যেমন স্পর্ধা, রংমঞ্চ এবং খোঁজ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়া, আয়োজন করা এবং একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেয়।

হ্যাকাথন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা তাদের বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ায়। আন্তর্জাতিক ইমারশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে তারা বিশ্বমানের শিক্ষার অভিজ্ঞতাও পায়।

কেরিয়ার সাপোর্ট

‘প্র্যাক্সিস’-এর ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের রেকর্ড খুবই ভাল, যেখানে ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী চাকরি পায় এবং সর্বোচ্চ বেতন বার্ষিক ২০ লক্ষেরও বেশি হয়। অনেক কোম্পানি প্রতি বছরই আবার নতুন করে ক্যাম্পাসে আসে, যা প্রমাণ করে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ‘প্র্যাক্সিস’-এর শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা।

এখানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। প্রথম বছরের পর ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে তারা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করে। অনেক শিক্ষার্থী তাদের যোগ্যতার কারণে আগেই প্রি-প্লেসমেন্ট অফার পেয়ে যায়।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংযোগ

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের পথপ্রদর্শন করে, কেরিয়ার সম্পর্কে পরামর্শ দেয়, প্রজেক্ট ও ইন্টার্নশিপে সাহায্য করে এবং অনেক সময় নতুন সুযোগ পেতেও সহায়তা করে। তারা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সবসময় যুক্ত থাকে এবং ‘প্র্যাক্সিস’-এর অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠন

‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’ শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং চিন্তাশীল, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

প্রাসঙ্গিক পাঠ্যক্রম, অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং ভাল ক্যাম্পাস পরিবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের সমস্যা মোকাবিলা করার দক্ষতা অর্জন করে।

এআই-দ্বারা পরিবর্তিত হতে থাকা এই বিশ্বে যারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সফল কেরিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য ‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’ একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান।

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘প্র্যাক্সিস বিজ়নেস স্কুল’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Praxis Business School Management College Artificial Intelligence Scholarship

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy