E-Paper

আমেরিকায় বরাত আর নতুন বাজারের হাত ধরে বেড়েছে রফতানি, দাবি বাণিজ্য উপদেষ্টার

জিটিআরআই-এর মতে, এ দেশের পণ্যে আমেরিকার শুল্ক বসানোর পরে নিজেদের বাজারকে নতুন করে সাজানোর পথে হেঁটেছে ভারত। যা সেপ্টেম্বরের পরে রফতানি ক্ষেত্রের নকশা কিছুটা হলেও বদলেছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:০৫

—প্রতীকী চিত্র।

ভারতের পণ্যে আমেরিকার ৫০% শুল্কের জেরে ধাক্কা খেয়েছিল সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে ভারতের রফতানি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নভেম্বরে ফের তা মাথা তুলেছে। মূলত নতুন বাজার খুঁজে বিশ্বের জোগানশৃঙ্খলের অংশ হয়ে ওঠা এবং বড়দিনের আগে আমেরিকা থেকে বেশি বরাত আসাই এর কারণ বলে জানাচ্ছে বাণিজ্য উপদেষ্টা জিটিআরআই। তাদের মতে, এর পাশাপাশি বেড়েছে বৈদ্যুতিন পণ্য এবং মেশিন রফতানিও।

জিটিআরআই-এর মতে, এ দেশের পণ্যে আমেরিকার শুল্ক বসানোর পরে নিজেদের বাজারকে নতুন করে সাজানোর পথে হেঁটেছে ভারত। যা সেপ্টেম্বরের পরে রফতানি ক্ষেত্রের নকশা কিছুটা হলেও বদলেছে। সেই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে বৈদ্যুতিন এবং মেশিনের মতো ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে রফতানি ছড়াতে পেরেছে ভারত। পাশাপাশি, শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বৈঠকের মধ্যে আমেরিকায় বড়দিনের ছুটির আগে বরাত বেড়েছে। ফলে নভেম্বরে মাথা তুলেছে বিদেশে পণ্য পাঠানোর পরিমাণ।

উপদেষ্টাটির প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তবের বক্তব্য, শুল্ক সম্ভাবনা ও তা থেকে তৈরি অনিশ্চয়তার কারণে মে-সেপ্টেম্বরে রফতানি ক্ষেত্রে অস্থিরতা দেখা যায়। ক্রেতারা বরাতে দেরি ও বিক্রেতারা মজুত খালি করেছিল। একবার শুল্ক বসার পরে দেশে রফতানিকারী ও আমেরিকার আমদানিকারীরা পণ্যের দাম বদল, উৎপাদন খরচের একাংশ বহন করা,নতুন দর কষাকষির পথে হেঁটেছে। সেই সঙ্গে শুল্কের প্রভাব যে সব পণ্য বেশি পড়েনি এবং যেগুলির বিকল্প পাওয়া মুশকিল, সেগুলির বাণিজ্যে জোর দিয়েছে তারা। ফলে মে-সেপ্টেম্বরে রফতানি যতটা কমেছিল, নভেম্বরে তা অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

trade Export Tariff

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy