অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্র যখন সমস্যায়, তখন বিমান শিল্পে আশার আলো দেখা যাচ্ছে বলে মত সংশ্লিষ্ট শিল্পের অনেকের। জেট এয়ারওয়েজের পরিষেবা বন্ধ হওয়ার পরে যে সমস্ত স্লট ফাঁকা হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই অনেকটা পূরণ হয়েছে। সম্প্রতি দ্য টেলিগ্রাফ ও টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ক্যালকাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার সিওও সঞ্জয় কুমার বলেন, ‘‘গাড়ি শিল্পে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, উড়ানে তেমনটা হবে না। যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে। মুনাফাও করবে উড়ান সংস্থাগুলি।’’ 

বিমান সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক সংগঠন আইএটিএ-র সমীক্ষা বলছে, জুলাইয়ে দেশে বিমান যাত্রী বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৯%। সারা বিশ্বে যা কমতির দিকে। কুমারের আরও বক্তব্য, একটি বিমান সংস্থা আর্থিক ভাবে শক্তিশালী হলে ভারতের বিমান পরিবহণ হাব হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের ভূমিকা। মূল বক্তা টাটা কফির চেয়ারম্যান হরিশ ভট্ট বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উদ্যোগের উল্লেখ করে জানান, উদ্ভাবন সামগ্রিক ভাবে সাহায্য করছে সমাজকেই।