দু’পক্ষের টানাপোড়েনে আটকে ছিল সম্প্রসারণের কাজ। তাতে সমস্যায় পড়ছিলেন সাধারণ যাত্রীরা। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণে এ বার অতিরিক্ত জমি কিনতে রাজি হলেন কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার রাতে দিল্লি থেকে চেয়ারম্যান গুরুপ্রসাদ মহাপাত্র ফোনে বলেন, ‘‘বোর্ডে আজই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। চা বাগানের ১১০ একর জমি ২৫ কোটি টাকায় কিনব।’’

বাগডোগরা বিমানবন্দরের টার্মিনালে এখন তিল ধারণের জায়গা নেই। একসঙ্গে তিন-চারটি উড়ান ছাড়ার আগে টার্মিনালে বসার জায়গা পান না যাত্রীরা। তাই সম্প্রসারণ নিয়ে কথা চলছিল বেশ কয়েক বছর ধরে। সংলগ্ন চা বাগানের মালিকরাও রাজি হয়ে যান ১১০ একর জমি দিতে। কিন্তু, রাজ্য সরকার বলে বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জমির দাম তারা দেবে না। কর্তৃপক্ষের পাল্টা যুক্তি ছিল, সম্প্রসারণে অাখেরে লাভ হবে রাজ্যেরই। কারণ বাগডোগরায় উড়ানের সংখ্যা বাড়বে। তাই দাম দেওয়া উচিত রাজ্যের। 

শুক্রবার চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘এই টানাপড়েনেই আটকে ছিল সম্প্রসারণের কাজ। আমাদের কাছে যাত্রী পরিষেবাই অগ্রাধিকার। তাই, আমরাই টাকা দেব বলে ঠিক করেছি।’’