ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়ার জটিলতা বেশি। সেই অভাব পূরণের বার্তা দিয়েই দেশে দ্রুত বাড়ছে অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (এআইএফ) ব্যবসা। যারা বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে ধার দেয় কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে। তথ্য বলছে, এই ক্ষেত্রে ঋণ বাড়ছে বছরে ২৫%-৩০% হারে। অনুৎপাদক সম্পদ ০.১%। ব্যাঙ্কের ঋণের বৃদ্ধি সেখানে ১৪%-১৫%।
সম্প্রতি এআইএফ সংস্থা বিবৃতি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার সৌমেন্দ্র ঘোষ জানান, দেশে এআইএফ পরিচালিত তহবিল ১.৫ লক্ষ কোটি টাকায় ঠেকেছে। মূলধনের ৬% তারা তোলে কলকাতা থেকে। পূর্বাঞ্চলে ক্রমশ বাড়ছে এতে লগ্নিও। তবে ন্যূনতম ১ কোটি ঢালতে হওয়ায় সাধারণের লগ্নির সুযোগ প্রায় নেই। তাঁর দাবি, এখন যত কর্পোরেট সংস্থা ব্যাঙ্ক ঋণ নেয়, তার থেকে ৬%-৭% বেশি নেয় এআইএফের থেকে। মূলত যাদের বার্ষিক আয় ৫০০-৫০০০ কোটি টাকা, তারাই এর গ্রাহক। তিনি বলেন, ‘‘ব্যাঙ্কের থেকে ঋণ নিতে যে ঝামেলা হয়, তার থেকে অনেক সহজে তারা এআইএফের থেকে ঋণ পায়।’’
তাঁরা ৫০০০ কোটি মূলধন সংগ্রহের পরিল্পনা করেছেন বলেও জানান সৌমেন্দ্র। এ ছাড়া গুজরাতের গিফ্ট সিটি থেকে ২৫ কোটি ডলার (প্রায় ২২০০ কোটি টাকা) তুলবেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)