ভারত ঘুমন্ত দৈত্য। জেগে উঠলে বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ২০৪৭ সালের মধ্যেই। দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে দেশ নিয়ে এই বার্তাই তুলে ধরলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি নিয়ে ভারতের সিইও-রা বেশি আশাবাদী এবং বিদেশিদেরও লগ্নির গন্তব্যের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, সেই তথ্যও উঠে এল সেখানে মঙ্গলবার প্রকাশিত পিডব্লিউসি-র সমীক্ষায়। তবে তা জানাচ্ছে, এখনও ভারতীয় সংস্থাগুলি পুরোদস্তুর কৃত্রিম মেধার (এআই) মতো প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে না বা তাতে সক্ষম নয়। যদিও এআই-কে দীর্ঘস্থায়ী হতে সকলের জীবনযাত্রার উন্নয়নে তাকে কাজে লাগাতে হবে বলে মনে করেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা। আজ ভারত নিয়ে আশার আবহেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন নয়াদিল্লির সঙ্গে আগামী সপ্তাহে ‘সবার সেরা’ বাণিজ্য চুক্তি করবে বলে ডব্লিউইএফ-এ বার্তা দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন।
মোদী সরকারের নেতা-মন্ত্রীরা দেশের অর্থনীতিকে ৫ লক্ষ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন ফেরি করছেন। সম্প্রতি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠার দাবিও করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ডব্লিউইএফের মঞ্চে নায়ডু বলেন, ‘‘এখন ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। আগামী দু’তিন বছরে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে।’’
দেশের অর্থনীতির প্রতি এই আস্থার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে পিডব্লিউসি-র সমীক্ষাতেও। যা জানাচ্ছে, ভারতের সিইও-রা দেশের জিডিপি ও সংস্থার আয় বৃদ্ধি নিয়ে অন্য দেশের শিল্প-কর্তাদের তুলনায় বেশি আশাবাদী। তবে কৃত্রিম মেধাকে পুরোদস্তুর কাজে লাগানোর দিক দিয়ে এখনও বিশ্বের তুলনায় পিছিয়ে ভারতীয় সংস্থাগুলি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)