×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৪ জুন ২০২১ ই-পেপার

শেয়ারহোল্ডারদের সামনে এ বার মুখ খুললেন রতন টাটা

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৩:১৭

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাইরাস মিস্ত্রি। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকেছেন নুসলি ওয়াদিয়া। এই অবস্থায় শুক্রবার টাটা কেমিক্যালসের সভায় মুখ খুললেন রতন টাটা। বললেন, গত দু’মাস ধরে তাঁর ব্যক্তিগত ও সেই সঙ্গে টাটা গোষ্ঠীর ভাবমূর্তির ক্ষতি করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু তাঁর বিশ্বাস, সত্য সামনে আসবেই। তাতে তার রাস্তা যত কঠিন এবং সেই সত্য যত বেদনাদায়কই হোক না কেন।

টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধারের পদ থেকে মিস্ত্রিকে সরানোর পরে বিভিন্ন টাটা সংস্থার পর্ষদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু তারপরেই কড়া নেড়েছেন আদালতের দরজায়। পণ করেছেন শেষ দেখে ছাড়ার। যত দিন যাচ্ছে, তত তীব্র আর তেতো হচ্ছে টাটা বনাম মিস্ত্রির লড়াই। প্রায় প্রতিদিন রতন টাটা ও টাটা গোষ্ঠীকে আক্রমণ করে বিবৃতি দিচ্ছেন সাইরাস। পাল্টা দিচ্ছে টাটারাও। সেই সঙ্গে মিস্ত্রিকে সমর্থনের কারণে টাটা স্টিল ও টাটা মোটরসের পর্ষদে স্বাধীন ডিরেক্টরের পদ থেকে ওয়াদিয়াকে সরানো হয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের ভোটে। এর পর তাঁকে টাটা কেমিক্যালসের বোর্ড থেকেও সরাতে শুক্রবার বিশেষ সাধারণ সভা ডেকেছিল টাটা সন্স। রতন টাটা শেয়ারহোল্ডারদের সামনে প্রথম সরাসরি মুখ খুলেছেন সেখানেই। আগে নিজের কথা চিঠি মারফত বলেন তিনি।

মিস্ত্রি যে পরিবারের ছেলে, টাটাদের মূল সংস্থা টাটা সন্সে প্রায় ১৮.৫% অংশীদারি রয়েছে সেই শাপুরজি-পালোনজি গোষ্ঠীর। টাটাদের সঙ্গে তাঁদের ব্যবসায়িক ও পারিবারিক সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। আর এক পার্সি ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান নুসলি ওয়াদিয়ার সঙ্গেও টাটাদের সম্পর্ক বহু পুরোনো। টাটা স্টিল, টাটা মোটরস, টাটা কেমিক্যালসের পর্ষদে স্বাধীন ডিরেক্টর হিসেবে যথাক্রমে ৩৭, ২৩ ও ১৮ বছর রয়েছেন তিনি। অথচ এই দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে টাটাদের সম্পর্ক এখন তিক্ততার শেষ সীমায়। অনেকের ধারণা, সেই কথা মাথায় রেখেই এ দিন ‘বেদনাদায়ক’ কথাটি বলেছেন টাটা।

Advertisement
Advertisement