বাংলাদেশে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপির) প্রায় ২৫% আসে ছোট-মাঝারি শিল্প থেকে। আর সেই শিল্পকে আরও ছড়িয়ে দিতে এ বার পড়শি ভারতের হাত ধরতে চায় তারা। যার অঙ্গ হিসেবে পাশে চায় পশ্চিমবঙ্গকেও। রাজ্য সফরে এসে এ কথা জানালেন বাংলাদেশের শিল্প ও সরকারি প্রতিনিধিদের নিয়ে তৈরি ছোট-মাঝারি শিল্প সংক্রান্ত সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পারস্পরিক আদান-প্রদান মারফত ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিশা খুঁজছে এ পার বাংলার শিল্প মহল ও সরকারও।

রাজ্যে ছোট-মাঝারি শিল্পের সংগঠন ফ্যাকসির আমন্ত্রণে আসা ওই দলের কর্তারা জানান, বাংলাদেশে ১৭৭টি ক্লাস্টার চিহ্নিত হয়েছে। এ রাজ্যে ছোট শিল্পের ক্লাস্টার থেকে চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা নিতে তাই মগরাহাটের রুপোর গয়না ও জানবাজারে চর্মশিল্পের ক্লাস্টার ঘুরে দেখেছেন তাঁরা। দলের অন্যতম সদস্য, শিল্প কর্তা মির্জা নুরুল গনি শোভন জানান, শিল্পের উন্নয়নে এখানে কেন্দ্র ও বণিকসভাগুলি কী ভাবে কাজ করে তা বোঝাই তাঁদের লক্ষ্য। খতিয়ে দেখা হচ্ছে বাংলাদেশের বাজারে এখানকার পণ্য বিক্রির সম্ভাবনাও। ফ্যাকসির কর্তা হিতাংশু গুহ ও সুভাষ সেনাপতি জানান, তাঁদের লক্ষ্য বাংলাদেশে ছোট শিল্পের বাজারের সঙ্গে সংযোগ গড়া।

রাজ্য ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান বিপ্লব রায়চৌধুরীর সঙ্গে সোমবার বৈঠকও করেন বাংলাদেশের শিল্প ও সরকারি কর্তারা। ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলেন বিপ্লববাবু।  বর্ধমান, দুর্গাপুর ও বীরভূমেও যাচ্ছে প্রতিনিধিদল।